ভোটের দিনই প্রমাণ হবে নন্দীগ্রাম কার পক্ষে, তৃণমূলের বিরুদ্ধে পাল্টা চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

শুভেন্দু বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই শুরু হয়েছে শুভেন্দু বনাম তৃণমূলের লড়াই। এই কাদা ছোঁড়াছুঁড়ির মধ্যেই ফের একবার তৃণমূলকে একহাত নিলেন শুভেন্দু। পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন তৃণমূলের দিকে। বললেন, ভোটের দিনই তিনি প্রমাণ করে দেবেন, নন্দীগ্রাম আসলে কার।

আজ, মঙ্গলবার নন্দীগ্রামে সফর করেন শুভেন্দু। এটিই ছিল তাঁর বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর প্রথম নন্দীগ্রাম সফর। তাঁর এই সফর ছিল অরাজনৈতিক। এদিন নন্দীগ্রামে রোড শোও করেন শুভেন্দু। এদিনের রোড শোতে দলের কোনও পতাকা চোখে পড়েনি। রোড শো-এর পর বজরংবলীর মন্দিরে পুজোও দেন তিনি। এরপর সভামঞ্চ থেকে দাঁড়িয়ে শাসকদলের প্রতি ফের সরব হন তিনি। পরোক্ষভাবে কটাক্ষ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও।

শুভেন্দু বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরই তৃণমূলের কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সৌগত রায়-সহ অন্যান্য নেতারা রীতিমতো চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে শুভেন্দুকে আগামী নির্বাচনে নন্দীগ্রাম থেকে লড়ার কথা বলেন। এরই পাল্টা উত্তরে আজকের সভামঞ্চ থেকে শুভেন্দু বলেন, “আমার রাজনৈতিক পথ আমি পরিবর্তন করেছি। এখানে আমি রাজনীতির কথা বলব না। আমি নন্দীগ্রামে বিশ বছর ধরে আসছি। যাদের পেটে এখনও আমার ভাত আছে, তারাই আমার ছবিতে কালি দিচ্ছে। তাদের দোষ নেই। তোলাবাজ ভাইপোর অফিস থেকে হুকুম আসছে এগুলো কর আর ছবি পাঠা। কিন্তু এসব করে লাভ নেই। ভোটের দিনই প্রমাণ করে দেব নন্দীগ্রাম আমার আছে কী না”।

জানা গিয়েছে, এদিন শুভেন্দুর সভায় যোগ দিতে আসার সময় তাঁর অনুরাগীদের উপর হামলা করা হয়। এই নিয়ে রীতিমতো গর্জে উঠেছেন বিজেপির নতুন নেতা। এই ঘটনা নিয়ে থানায় এফআইআর করার নির্দেশ দেন তিনি। অভিযুক্তরা গ্রেফতার না হলে বড়সড় আন্দোলন করবেন বলেও হুঁশিয়ারি শানান শুভেন্দু।

আগামী ৭ই জানুয়ারি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা করার কথা ছিল নন্দীগ্রামে। কিন্তু তিনি তা বাতিল করে দেন। এই নিয়েও মুখ্যমন্ত্রীকে পরোক্ষভাবে দাগেন শুভেন্দু। বলেন, “অনেকে তো রাজনৈতিক কর্মসূচী ঘোষণা করেও পগার পার”। তবে ৭ তারিখ মুখ্যমন্ত্রীর সভা না হলেও তারপর দিন অর্থাৎ ৮ই জানুয়ারি নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর সভা হচ্ছেই। সেই সভায় শুধুমাত্র নন্দীগ্রাম থেকেই এক লক্ষ মানুষকে নিয়ে আসার দাবী জানিয়েছেন শুভেন্দু।

আরও অন্যান্য খবর