গত সপ্তাহেই বিশ্বভারতীর থেকে রাস্তা ফেরত নেওয়ার কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই অনুযায়ী, আজ বছরের প্রথম দিনেই সেই রাস্তা ফেরত নিতে বিশ্বভারতীর পথে জেলশাসক ও পুলিশ সুপার। কিন্তু আবার এরই মধ্যে নতুন বিতর্কে জড়াল বিশ্বভারতী।
গত সপ্তাহে বোলপুরে প্রশাসনিক বৈঠক করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বৈঠকেই তিনি ঘোষণা করেন যে রাজ্যের তরফ থেকে বিশ্বভারতীকে দেওয়া কালিসায়র মোড় থেকে উপাসনা মন্দির পর্যন্ত রাস্তা ফিরিয়ে নেবে রাজ্য। এরপরই ময়দানে নামেন বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। জানা গিয়েছে, শান্তিনিকেতন দূরদর্শন কেন্দ্রের সামনে দিয়ে যে রাস্তা ছিল, তা পাঁচিল দিয়ে ঘেরার কাজ শুরু করে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। এর ফলে রীতিমতো অসুবিধায় পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
বাসিন্দাদের অভিযোগ, লাল পুল ও চিত্রা মোড়ে যানজট হওয়ায় উক্ত রাস্তা দিয়ে শান্তিনিকেতন পৌঁছনো ছিল সহজ রাস্তা। কিন্তু এখন বিশ্বভারতী এই রাস্তায় পাঁচিল তুলে দেওয়ায় স্বভাবতই ঘোর সংকটে পড়েছেন তাঁরা। এই রাস্তা ফের চলাচলের উপযোগী করে তোলার দাবী জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এর অন্যথা হলে তাঁরা আরও বৃহত্তর আন্দোলনে সামিল হবেন বলে দাবী করেছেন। এই পরিস্থিতির মধ্যেই আজ দুপুরে রাস্তার ফেরত নিতে হাজির হচ্ছেন পুলিশ সুপার ও জেলাশাসক।
অন্যদিকে, আলাপনি মহিলা সমিতির ঘর বন্ধ করে দেওয়া নিয়ে ফের নতুন করে বিতর্কে জড়াল বিশ্বভারতী। দীর্ঘদিনের পুরনো আলাপনি মহিলা সমিতির ঘোর হঠাৎই বন্ধ করে দিয়েছে বিশ্বভারতী। এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বন্ধ ঘরের সামনে বসেই বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন বিশ্বভারতীর প্রাক্তনী ছাত্রীরা।
১৯১৬ সালে এই আলাপনি মহিলা সমিতি প্রতিষ্ঠা করেন দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর। বিশ্বভারতীর প্রাক্তনীরা আশ্রমিক মহিলারা থাকেন ওই আলাপনি মহিলা সমিতিতে। আশ্রমেরই নানা কাজে যুক্ত এই মহিলারা। তাদের বসার ঘর ছিল পাথভবনে ঢোকার ঠিক মুখে। সেই ঘরই হঠাৎ নোটিশ দিয়ে বন্ধ করে দেয় বিশ্বভারতী।





