দলীয় কর্মীদের নিয়ে মহা ফ্যাসাদে পড়েছে তৃণমূল! কখনও কেউ বিদ্রোহী হয়ে ওঠে তো কখনও কেউ বিতর্ককে সঙ্গে করে নিয়ে আসে। আর এবার শাসকদলের অস্বস্তি বাড়ালেন বিধায়ক খগেশ্বর রায়।
কিছুদিন আগেই বিজেপির উত্তরকন্যা অভিযানে গেরুয়া শিবিরের দলীয় কর্মীর মৃত্যুকে কটাক্ষ করে বিতর্কে জড়িয়ে ছিলেন এই তৃণমূল নেতা।
আর এবার পারিবারিক ঘটনায় বিতর্কে জড়ালেন এই নেতা-বিধায়ক। তবে এবার শুধু তিনি একা নন বিতর্কে জড়িয়েছেন তার ছেলে আর পরিবারের লোকেরাও। এই ঘটনায় গতকাল রাতে রাজগঞ্জ থানায় দ্বারাস্থ হয়েছিলেন তৃণমূল বিধায়ক খগেশ্বর রায়ের পুত্রবধূ ও তাঁর পরিবার। নির্যাতিতার পরিবার পুলিশের বিরুদ্ধেও গুরুতর অভিযোগ করেছেন। তাঁরা জানিয়েছেন যে, পুলিশ লিখিত ভাবে অভিযোগ জমা নিলেও তাঁদের কোনও রিসিভ কপি দেয়নি।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২০১৯ এর ময়নাগুড়ির বলিদেব রায়ের মেয়ে পিঙ্কির সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন তৃণমূল বিধায়ক খগেশ্বর রায়ের ছেলে দিবাকর রায়। পিঙ্কি ও তাঁর পরিবার অভিযোগ করে বলেন যে, বিয়ের পর থেকে পণের দাবিতে তাঁর উপর অত্যাচার করা শুরু করে বিধায়কের পরিবার।
আক্রান্ত পিঙ্কি জানান, বিয়ের কিছুদিন পর থেকে তাঁর বর দিবাকর ও বিধায়কের পরিবারের অন্য সদস্যরা বাপের বাড়িতে থেকে টাকা আনার জন্য তাঁর উপর অত্যাচার করা শুরু করে। পিঙ্কি জানান, পণের টাকার জন্য খগেশ্বর রাায় আর তাঁর বর দিবাকর প্রায় দিনই মদ্যপ অবস্থায় তাকে গালিগালাজ করত।
এতদিন পর্যন্ত শ্বশুর ও স্বামী অত্যাচার করলেও, এরপর তাঁর শাশুড়িও তাঁর উপর অত্যাচার করা শুরু করে দেয়। এমনকি ২৭ আগস্ট তাঁর গাায়ে কেরোসিন পর্যন্ত ঢেলে দেওয়া হয়। শাশুড়ি আগুন জ্বালানোর জন্য দেশলাই আনতে গেলে পিঙ্কি কোনওমতে সেখান থেকে পালিয়ে বাপের বাড়ি চলে যায়। এরপর অনেকবার মিমাংসার চেষ্টা করা হলেও সমস্যার সমাধান হয়নি। পিঙ্কি জানান, শ্বশুর রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে আমাকে আর আমার পরিবারকে হুমকি দিত।
তবে বিতর্কে জড়ানো এই প্রথম নয়। এটা তাঁর স্বভাবজাত। এর আগে রাজগঞ্জ গ্রামীণ হাসপাতালের এক নার্সের শ্লীলতাহানিতে নাম জড়িয়েছিল এই বিধায়কের।






