বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার পারদ যখন তুঙ্গে তখনই হাওড়ায় ফের উদ্ধার হল প্রচুর পরিমাণ বিস্ফোরক ও অস্ত্র। আর এই অস্ত্র মজুত রাখার অপরাধে ইতিমধ্যেই দু’জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে হাওড়া জেলার গোলাবাড়ি এলাকায়। রাজ্য পুলিশের এসটিএফ শুক্রবার রাতে হানা দেয় ওই এলাকার একটি বাড়িতে। সেখান থেকেই এগুলি উদ্ধার হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, গোপন সূত্রে তাঁরা খবর পায় বেশ কিছুদিন ধরে গোলাবাড়ি এলাকার একটি বাড়িতে অস্ত্রশস্ত্র ও বিস্ফোরক মজুত করা হচ্ছে। সেই খবর পেয়েই গতকাল রাতে সেখানে হানা দেয় রাজ্য পুলিশের এসটিএফ। জানা গিয়েছে, ওই বাড়ি থেকে চারটি সেভেন এমএম পিস্তল, আটটি ম্যাগাজিন, প্রচুর পরিমাণে কার্তুজ ও ১৫ কেজি বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে। এছাড়া বিস্ফোরক তৈরির সরঞ্জামও উদ্ধার হয়েছে সেখানে। বিস্ফোরক মজুতের অপরাধে এখনও পর্যন্ত দু’জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের নাম আবদুল কাদির ও গোলাম ই ওয়ারিশ।
ভোট যত এগিয়ে আসছে অস্ত্রশস্ত্র, বোম, গোলাগুলির সম্ভার ফুলেফেঁপে উঠছে। বাংলায় নির্বাচন যে হিংসাত্মক হবে তা বুঝতে বিশেষজ্ঞের দরকার নেই। ক্লাব থেকে শুরু করে বিভিন্ন জায়গায় বোমা বিস্ফোরণ, অস্ত্র উদ্ধার তারই প্রমাণ।
পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে এই অস্ত্র মজুত করে সেখান থেকে অন্য জায়গায় পাচার করা হত। একই সঙ্গে জানানো হয়েছে ধৃত গোলাম উত্তর ২৪ পরগনা জেলার জগদ্দলের বাসিন্দা। অন্যদিকে কাদির হুগলির ভদ্রেশ্বর এলাকার চাঁপদানির বাসিন্দা। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত দু’জনকেই শনিবার আদালতে তোলা হবে। তাদের নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাবে এসটিএফ। কারণ এই অস্ত্র কারখানার পিছনে অনেক বড় চক্র থাকতে পারে বলেই পুলিশের অনুমান। তাছাড়া কোথা থেকে এইসব অস্ত্র মজুত করা হচ্ছিল ও তা কোথায় বিক্রি করা হচ্ছিল সেই ব্যাপারেও ধৃতদের জেরা করতে চায় পুলিশ। এই চক্রের সঙ্গে ভিন রাজ্য কিংবা বাংলাদেশের কোনও যোগ রয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখতে চাইছে পুলিশ।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার