সরকারী হস্তক্ষেপের জেরেই নিজেদের সিদ্ধান্ত কিছুটা বদল করলেন রাজ্যের ৫ বাসমালিক সংগঠন। টানা ৭২ ঘণ্টার বাস ধর্মঘট স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিলেন তাঁরা। গতকাল, বুধবার রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠকের পরই তাদের এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করে বেঙ্গল বাস সিন্ডিকেট। এর জেরে কয়েকদিন ধরে নিত্যযাত্রীদের মধ্যে যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছিল, তা কিছুটা কমল।
জিএসরি স্কেল সংশোধন, ডিজেলের দামে কর কমানো, ভাড়া বৃদ্ধি-সহ আরও নানান দাবীতে ২৮শে জানুয়ারি অর্থাৎ আজ থেকে টানা তিনদিন ৫টি বাস সংগঠন ধর্মঘটের ডাক দেয়। এর জেরে নিত্যযাত্রীদের চিন্তা বাড়ে। নিত্যযাত্রীদের কথা মাথায় রেখেই গত সোমবার বাস সংগঠনগুলির সঙ্গে বৈঠকে বসেন রাজ্যের মুখ্যসচিব। তবে সেদিন কোনও সমাধানসূত্র মেলেনি। এরপর গতকাল, বুধবার ফের একদফা বৈঠক হয় উভয়পক্ষের। এতেই কাজ হয়। বৈঠক থেকে বেরিয়ে বেঙ্গল বাস সিন্ডিকেটের সহ-সভাপতি সুরজিৎ সাহা জানান যে রাজ্য তাদের কয়েকটি দাবী মেনে নিয়েছে। ডিজেলের উপর কর কমানো নিয়ে কেন্দ্রের কাছে চিঠি পাঠানো হবে বলে জানা গিয়েছে। তিনি এও জানান যে মুখ্যসচিব জানিয়েছেন যে কেন্দ্র যদি কর কমায়, তাহলে রাজ্যও সেই পথেই হাঁটবে।
তবে এও জানা গিয়েছে যে, মুখ্যসচিবের কথায় বাস সংগঠনগুলি ধর্মঘট স্থগিত রাখলেও তাঁরা ১৪ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছেন। এই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাদের দাবিদাওয়া না মানা হলে, ফের তাঁরা ধর্মঘটের পথেই হাঁটবেন বলেও জানিয়েছেন। তবে আজ থেকে আগামী ৭২ ঘণ্টা বাস ধর্মঘটের সিদ্ধান্তে নিত্যযাত্রীদের যে ভোগান্তি হওয়ার আশংঙ্কা তৈরি হয়েছিল, তা আপাতত আর নেই।





