মঞ্চে উঠে ভাষণ শুরু করতে না করতেই ঘটল বিপত্তি। হঠাৎই কিছু মানুষের দাবী-দাওয়া শুনেই মেজাজ হারালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর ভাষণ না দিয়েই মঞ্চে ঘোরাঘুরি করতে লাগলেন মমতা। দর্শকের দাবীর প্রসঙ্গে এও বলেন যে ভগবানও সব চাহিদা পূরণ করতে পারেন না। বিজেপি ও সিপিএমের কথা শুনে মানুষ এই আচরণ করছেন বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী।
গতকাল, বৃহস্পতিবার গীতাঞ্জলী স্টেডিয়ামে তফসিলি জাতি-উপজাতি সম্মেলন ছিল। মমতা ভাষণ দেওয়ার জন্য মঞ্চে ওঠার পরই দর্শকাসন থেকে নানান দাবী-দাওয়া উঠে আসতে থাকে। এই শুনেই রেগে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আর কিছুদিনের মধ্যে ভোটের দিন ঘোষণা হবে। এখন এত চাইলে দিতে পারব না। কিছু বিজেপি ও সিপিএমের কথা শুনে এরকম করে লাভ নেই। ভোটের আগে ব্ল্যাকমেল করবেন না”
এরপরই দর্শকের দিকে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে তিনি জিজ্ঞেস করেন, “কী দেওয়া হয়নি? কন্যাশ্রী, সবুজ সাথী, স্বাস্থ্য সাথী, বিনামূল্যে রেশন, সব সুবিধাই দেওয়া হয়েছে। এরপরও ভোটের আগেই এত কিছু চাহিদা। যদি আমাকে পছন্দ না হয় ভোট দেবেন না। বাকিদের নিয়েই সরকার গড়ব”।
এরপর এই মঞ্চ থেকেই তৃণমূলত্যাগীদের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন মমতা বলেন, বিজেপি দেশকে বিক্রি করে দিচ্ছে। তাঁর দাবী, তৃণমূলের কিছু বিশ্বাসঘাতকদের নিয়ে বাংলা জয়ের স্বপ্ন দেখছে বিজেপি। বিজেপি দাঙ্গার রাজনীতি করে, নিজের সম্পত্তি রক্ষা করতেই তারা এসব করছে বলে মনে করেন তৃণমূল সুপ্রিমো।
এরপর বিজেপির বিরুদ্ধে আরও সুর চড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন বিজপেই সোনার ভারত বিক্রি করে আবার নাকি সোনার বাংলা গড়ার কথা ভাবছে। মমতার হুংকার বাংলা জয় এত সহজ নয়। হিংসার রাজনীতি করা বিজেপিকে রাজ্যছাড়া করবেন মমতা, এমনটাই হুঁশিয়ারি শানান গতকালের সভা থেকে।






