প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সামান্যতম চাকরি নিয়ে কলকাতার বেহালা থেকে পীযূষ চ্যাটার্জীকে ছুটে আসতে হয়েছিল জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জ ব্লকের জটিয়াকালীতে। বেহালার বাড়িতে ছিলেন স্ত্রী , ছােট এক মেয়ে এবং তাঁর বৃদ্ধা মা। মুসলিম অধ্যুষিত জটিয়াকালীর চা ফ্যাক্টরিতে কাজ করতে আসেন পীযূষ । তখন থেকেই সেই গ্রামের বাসিন্দাদের সঙ্গে পীযূষের সদ্ভাব গড়ে ওঠে। বিপদে পড়লে তার পাশেই ছিলেন গ্রামের মুসলিম যুবকরা।
চা ফ্যাক্টরি সূত্রে জানানো হয়েছে , কয়েকদিন আগে পীযূষ হঠাৎই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। সহকর্মীদের সাহায্যই তিনি চিকিৎসকের কাছে যান। তাকে কিছু নমুনা পরীক্ষা করতে দেওয়া হয়েছিল। সেই রিপাের্টেই ধরা পড়ে পীযূষ কিডনির অসুখে ভুগছেন ।
এরপর কলকাতায় তার পরিবারের সঙ্গে আলােচনা করে রবিবার তার নার্সিং হােমে ভর্তি করানাে হয় । কিন্তু পীযূষকে বাঁচানাে যায়নি । কলকাতায় তার পরিবারের কাছে মৃত্যুর খবর পৌঁছলে স্ত্রী রুমকি জলপাইগুড়িতে ছুটে আসেন।
এই অবস্থায় ফের পাশে দাঁড়ালেন গ্রামের মুসলিম যুবকরা। পীযূষের মৃতদেহ সৎকারের ব্যবস্থা করলেন তাঁরাই।
এই সম্প্রীতিই হয়তো ভারতবর্ষের আসলে অবিচ্ছেদ্য ছবি। যা ধর্মের পার্থক্য দেখেনা। দেখে মনুষ্যত্ব, মানবিকতা।





