যশের ধাক্কায় প্লাবিত বাংলার উপকূলবর্তী ভাগ। বানভাসি একাধিক গ্রাম। তার ওপরে দোসর ভরা কোটাল। আর যার কারণে বেড়েছে জলোচ্ছ্বাসের মাত্রা। দীঘার বিস্তীর্ণ এলাকা কয়েক ফুট জলের তলায়। বলা যায় সমুদ্র কার্যত উঠে এসেছে এই পর্যটন শহরে।
আরও পড়ুন- যশের মধ্যে আরও এক বিপদ, কলকাতায় টর্নেডো ১২টা পর্যন্ত, বাড়িতে থাকার পরামর্শ সকলকে
আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, যশ এবং সেইসঙ্গে হওয়া ভরাকোটালের কারণে দীঘা, মন্দারমণি, চাঁদিপুর, জুনপুট, বাঁকিপুট সহ সংলগ্ন উপকূলবর্তী এলাকার সমুদ্রে যে জলোচ্ছ্বাস দেখা গিয়েছে তা গত ৫০ বছরেও দেখা যায়নি বলে খবর। ইতিমধ্যেই দীঘা মন্দারমনিতে উদ্ধারকার্যে নেমেছে সেনা। নৌকা নামিয়ে জলমগ্ন এলাকা থেকে বাসিন্দাদের বার করা হচ্ছে। ঝড়ের দাপটে বিধ্বস্ত নামখানা। ভরা কোটাল এর চাপে বন্যা কবলিত নামখানার বিস্তীর্ণ এলাকা। সন্দেশখালিতে ফুঁসছে কলাগাছি, রায়মঙ্গল সহ একাধিক নদী। বাঁধ ভেঙে ধামাখালি, পূর্ব ও পশ্চিম পাড়া সহ একাধিক গ্রামে ঢুকেছে জল।
আরও পড়ুন- Cyclone Yaas: ‘যশ’ ধাক্কায় ভরা কোটালের জলে ভাসছে গঙ্গাসাগরে কপিল মুনির আশ্রম!
কৈখালীতে মাতলা নদী পার করে হু হু করে জল ঢুকছে গ্রামে। একাধিক জায়গায় ভেঙেছে নদী বাঁধ।
আশঙ্কা করা হচ্ছে ভরাকোটালের কারণে আজ সর্বোচ্চ জায়গায় পৌঁছবে জল স্তর। উল্লেখ্য, যশের কবলের বাইরে কলকাতা। তবে পরিস্থিতি যা রয়েছে, তাতে ১২০ থেকে ৩০ কিমি বেগে টর্নেডো তৈরি হতে পারে।






