ঘূর্ণিঝড় যশের ক্ষয়ক্ষতির জন্য রাজ্যের ভাগ্যে সবচেয়ে কম বরাদ্দ করেছিল কেন্দ্র। অন্যান্য রাজ্য ৬০০ কোটি করে পেলেও বাংলা পেয়েছিল ৪০০ কোটি। তবে রাজ্যের প্রাথমিক হিসেব বলছে, ঘূর্ণিঝড় যশের অভিঘাতে বাংলায় ক্ষতির পরিমাণ গিয়ে পৌঁছেছে কাছাকাছি ১৫ হাজার কোটি টাকায়। তবে এটা প্রাথমিক হিসেব। কয়েক দিনের মধ্যেই হাতে চলে আসবে সম্পূর্ণ রিপোর্ট। এমনটাই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আরও পড়ুন-যশের ধাক্কায় ক্ষতিগ্রস্তদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি কেন্দ্রীয় টাকা পাঠানোর দাবি দিলীপ ঘোষের
যশ আসছে তারপর থেকেই টানা কন্ট্রোল রুমে বসে রয়েছেন তিনি। ক্ষয়ক্ষতির হিসেব নেওয়ার জন্য ৩রা জুন থেকে দুয়ারে ত্রাণ কর্মসূচি চালু করা হবে বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
এই অবস্থায় কাল রাজ্য পরিদর্শনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসার কথা রয়েছে তার।
বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাংলায় শুরু হয়, দুবার সরকার প্রকল্প। তারপর দুয়ারে রেশন। এবার সেই ধারাতেই শুরু হচ্ছে দুয়ারে ত্রাণ প্রকল্প। যশের ধাক্কায় ক্ষতিগ্রস্তদের কাছে থেকে সরাসরি ক্ষতির খতিয়ান নেবেন সরকারি অফিসাররা। তারপর সেই ক্ষতিপূরণের টাকা যাবে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্তদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। আর যার রাশ সম্পূর্ণভাবে নিজের হাতে রাখছেন মুখ্যমন্ত্রী।
কিন্তু কীভাবে দুয়ারে পৌঁছাবো এই ত্রাণ? এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, ‘আগামী ৩রা থেকে ১৮ জুন পর্যন্ত ‘দুয়ারে ত্রাণ’ শিবিরে ক্ষতিগ্রস্তদের আবেদন নেওয়া হবে। এবার আর কারও মাধ্যমে নয়, যিনি ক্ষতিগ্রস্ত, তিনি নিজে সরাসরিই আবেদন করবেন। যতটুকু ক্ষতি হয়েছে ততটুকুই শুধু বলবেন। ১৯শে জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সেই আবেদনগুলি খতিয়ে দেখা হবে। তারপর ১ থেকে ৮ জুলাইয়ের মধ্যে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্তরা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে এই টাকা পেয়ে যাবেন।’