রাজ্যের উপর দিয়ে বয়ে গেছে ঘূর্ণিঝড় যশ। যাত্রাপথে যা পেয়েছে সব নিঃশেষ করে দিয়ে গেছে। সবথেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাংলা ও ওড়িশার উপকূলবর্তী এলাকা। বিভিন্ন অঞ্চল বানভাসি। সেই সঙ্গে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হওয়া যশের ধাক্কায় রাজ্যজুড়ে আজ ব্যাপক পরিমাণ বৃষ্টি হচ্ছে। যার ফলে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
আরও পড়ুন-যশের ধাক্কায় ক্ষতিগ্রস্তদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি কেন্দ্রীয় টাকা পাঠানোর দাবি দিলীপ ঘোষের
কাল এই ঘূর্ণিঝড়ের কারণে হওয়া ক্ষয়ক্ষতি পর্যালোচনা করতে রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রথমে যাবেন ওড়িশা। সেখানকার ক্ষয়ক্ষতি দেখে তারপর আসবেন পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুরে। সেখানেই কুলাইকুণ্ডায় মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসার কথা রয়েছে তাঁর। এই বৈঠকে উপস্থিত হবেন বলে ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
আজকের সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন,”কাল প্রধানমন্ত্রী মিটিং ডেকেছেন কলাইকুণ্ডাতে। উনি প্রথমে ওড়িশার ৩টে জায়গায় যাচ্ছেন। ওড়িশা থেকে ফেরার পথে কলাইকুণ্ডায় নামবেন। আমি আর মুখ্যসচিব আগেই ওই অঞ্চল পরিদর্শনের পরিকল্পনা করেছি। হিঙ্গলগঞ্জ যাব। ওখানে জেলাশাসক-পুলিস সুপারের থেকে রিপোর্ট নেব। তার পর গঙ্গাসাগর হয়ে কলাইকুণ্ডায় যাব।”
আরও পড়ুন-কর্তব্যে কমতি নেই! হাঁটুজল নিয়েই নিজের বিধানসভা কেন্দ্রের প্লাবিত এলাকা ঘুরে দেখলেন সোহম
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত বছর আসা ঘূর্ণিঝড় আমফানে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল কলকাতা সহ গোটা রাজ্য। সেই বারও ক্ষয়ক্ষতি খতিয়ে দেখতে রাজ্য পরিদর্শনে আসেন প্রধানমন্ত্রী। এক কপ্টারে একসঙ্গে ক্ষয়ক্ষতি পর্যবেক্ষণ করেন মুখ্যমন্ত্রী-প্রধানমন্ত্রী। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বিচার করে অগ্রিম ১০০০ কোটি টাকা দেওয়ার ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তবে এই বছর অন্ধ্র প্রদেশ ও ওড়িশার ভাগে অগ্রিম বরাদ্দ ৬০০ কোটি টাকা করে হলেও বাংলার ভাগ্যে জোটে ৪০০ কোটি টাকা। তারপরেই এই ভেদাভেদ নিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুলেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার দেখার কালকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে এই বিষয়ের উত্থাপন তিনি ফের করেন কিনা!





