করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে রাজ্যে জারি করা হয়েছে লকডাউন। বেশ কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হলে গণ পরিবহণে কোনও ছাড় নেই। বাস, মেট্রো, ট্রেন না চলায় অফিস যেতে নাকাল হতে হচ্ছে মানুষকে।
অন্যান্য সময় ভবানীপুর থেকে উল্টোডাঙা পর্যন্ত বাইক ট্যাক্সিগুলিতে যা ভাড়া নেয়, এই সময় কার্যত দ্বিগুণ ভাড়া নিচ্ছে। বেহালা থেকে সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত ভাড়া ৭০০ টাকা যা স্বাভাবিকের চেয়ে বহুগুণ বেশি। কিন্তু চাকরি বাঁচাতে বেশি ভাড়া দিয়েই অফিসে আসছেন জনগণ।
যাত্রীদের অভিযোগ, গণ পরিবহণ বন্ধ, তাই এখন সময়ের সুযোগ নিয়ে বাইক ট্যাক্সিগুলি ইচ্ছামতো দাম হাঁকাচ্ছে। যাত্রীদের মতে, বাইক ট্যাক্সির চালক্রা দাম বাড়িয়েছে তা নয়, অ্যাপগুলিই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে এমনটা করছে। তাদের কথায়, মে মাসের আগে পর্যন্ত বাইক ট্যাক্সিতে যেখানে ৭০ থেকে ৭৫ টাকা ভাড়া হত, এখন সেখানে ভাড়া উঠছে ৩০০ টাকা।
এই বিষয়ে বাইক অ্যাপ সংস্থার যুক্তি, পেট্রোলের দাম বেড়েছে, তাই ভাড়া বৃদ্ধি হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান এই পরিস্থিতিতে এমন অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধি হওয়ায় তা মধ্যবিত্তের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। চাকরি বাঁচাতে অনেকেই বাধ্য হয়ে এভাবেই অফিসে যাচ্ছেন। কারণ, যা পরিস্থিতি, এমন করোনা কালে যে কোনও সময় চাকরিটাই খোয়া যেতে পারে।
শুধু বাইক ট্যাক্সিই নয়, একই অবস্থা শহরের অটোগুলিতেও। জরুরী ভিত্তিতে কোনও রোগীকে হাসাপাতালে নিয়ে যেতে, টিকাকরণ কেন্দ্রে পৌঁছতে অটোকে ছাড় দেওয়া হয়েছে। অনেকেই আবার অফিস যাওয়ার জন্যও অটো নিচ্ছেন। সেক্ষেত্রেও আট কিলোমিটার রাস্তা যেতে অটো ভাড়া নিচ্ছে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা।






