‘আমাদের সম্পর্কটা গোটা সমাজের কাছে উদাহরণ হয়ে থাকবে’, শোভনের সঙ্গে সম্পর্ক প্রসঙ্গে বৈশাখী

শোভন চট্টোপাধ্যায় ও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়, এই দুই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই। শোভনের সমগে বৈশাখীর সম্পর্ক নিয়ে অনেক কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি হয়েছে। কিন্তু সেসবকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে এই দুই ‘বন্ধু’ সগর্বে নিজেদের জীবনযাপন চালাচ্ছেন।

স্ত্রী রত্না চট্টোপাধ্যায়কে ছেড়ে দীর্ঘদিনই বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে থাকেন। একরকম ‘সংসার’ই করছেন তারা বলা যায়। তাদের দুজনকে নিয়ে মানুষের কৌতূহলের অন্ত নেই। তাদের ‘বন্ধুত্ব’ নিয়েও কিন্তু চর্চা একেবারে তুঙ্গে।

আরও পড়ুন- প্রতিবাদের ভাষা নিল অন্য রূপ! সরকারের সীমাহীন দুর্নীতির বিরুদ্ধে এবার নগ্ন হয়েই বিক্ষোভ জানালেন বাসিন্দা

কিছুদিন আগেই সোশ্যাল মিডিয়া চোখে চোখে পড়ে একটি ঘটনা। বৈশাখী শোভন চ্যাটার্জী নামের একটি ফেসবুক প্রোফাইল নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক। আসলে, শোভন চট্টোপাধ্যায় ভরসা করে নিজের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বৈশাখীর নামে করে দিয়েছেন। বান্ধবীর প্রতি গভীর আস্থা থেকে ও তাঁকে একপ্রকার কুৎসা থেকে বাঁচাতেই এমন পদক্ষেপ নিয়েছেন তিনি।

কিন্তু এ নিয়েও চলেছে বিতর্ক। এই সবকিছুকেই যে বৈশাখী কোনও কেয়ারই করেন না, তা তাঁর সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকার থেকে স্পষ্ট। সেই সাক্ষাৎকারে বৈশাখী বলেন, “সমাজ কী বলবে, মানুষ কী বলবে, এটা ভেবে কিছু করি না। হৃদয়ের তাগিদে করা সবটা। প্রচুর মানুষের থেকে শুভেচ্ছা, ভালোবাসা পেয়েছি। স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পর্ক রাখা নিয়ে বড়রাও খুশি। শোভন আর আমার সম্পর্কের সততাকে মানুষ পছন্দ করেন। আমায় যখন কেউ বৈশাখী শোভন ব্যানার্জী বলে ডাকেন, আমার শুনতে ভালো লাগে। শোভনের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে লুকোচুরি করিনি। সিনিয়রদের থেকে অনেক আশীর্বাদ পেয়েছি”।

কিন্তু তা হলেও কী সমাজের মুখ বন্ধ করা সম্ভব? এই প্রসঙ্গে বৈশাখীর দাবী, সমাজ এগিয়ে গেলেও কিছু মানুষ পুরনো মানসিকতাকেই ধরে বসে রয়েছেন। তারা সমাজকে এগোতে দিতে চায় না বলেই দাবী বৈশাখীর।

আরও পড়ুন- স্কুল সার্ভিস কমিশন নিয়ে প্রশ্ন করতেই বিরক্তি চোখেমুখে, উত্তর না দিয়েই প্রস্থান শিক্ষামন্ত্রীর 

তা-ও বৈশাখীর কথায়, “এত কুৎসার মধ্যেও অনেক ওপেন সাপোর্ট পেয়েছি। আমাদের সম্পর্ক সম্পর্কের মতো করে চলবে। প্রতিদিনই তা সমৃদ্ধ হতে থাকবে। আগামীদিনে কোন দিকে মোড় নেবে, এতকিছু ভেবে সম্পর্ক রাখা যায় না। আমাদের সম্পর্ক কখনও লুকোয়নি। শেষদিন পর্যন্ত যেন একে অপরের কাছে মাথা উঁচু করে বলতে পারি যে একটা সম্পর্ক স্থাপন করেছি যেমন, সেটাকে এমন জায়গায় নিয়ে যাব, যেটা সারা সমাজের কাছে উদাহরণ হয়ে থাকবে”।

RELATED Articles