একদিকে তাঁর গানের ভিডিও নিয়ে ট্রোল হচ্ছে গোটা নেটপাড়ায়। তাঁর ভিডিওতে সমালোচনার শেষ নেই। অথচ ফেসবুক লাইভে এসে তিনি দাবি করছেন, তাঁকে নাকি ১ থেকে ১.৫ লাখ লোক দ্বিতীয় ভিডিওতে নিজেদের জায়গা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন। কথা হচ্ছে মদন মিত্রকে নিয়ে।
রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের মধ্যে মদন মিত্র এমন একজন ব্যক্তি, যাকে নিয়ে হাসি-ঠাট্টা হয়েই চলছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। তাঁর কোটেশন ‘ওহ লাভলি’র ছড়াছড়ি সামাজিক মাধ্যমে। এদিকে এদিন ফেসবুক লাইভে এসে তিনি জানালেন, “শুনছি, অনেকেই আমার সম্প্রতি রিলিজ হওয়া ভিডিও অ্যালবাম নিয়ে ট্রোল করছেন, মিম করছেন। এমনকি মানসী সেনগুপ্তকে নিয়েও ট্রোল হয়ে চলেছে। কিন্তু আমি বলে রাখছি, ১ থেকে ১.৫ লক্ষ লোক অনুরোধ করেছেন দ্বিতীয় ভিডিওতে যেন তাঁদের জায়গা দেওয়া হয়।”
এদিন ফেসবুকে এসে তিনি বলেন, “আগে কলকাতা ছিল শিক্ষিত-ভদ্রলোকেদের। এখন তা হয়ে গিয়েছে চ্যাংড়া-ছ্যাবলা লোকেদের। যে কারণে তাঁদের এই জিনিস পছন্দ হবে না। কিন্তু আমি বলে রাখছি, এটাই পুজোয় হায়েস্ট ট্রেন্ডিং হয়ে যাবে। আঙ্গুর ফল টক। ওহ লাভলি!” নানা সময়তেই নানা বিতর্কিত মন্তব্য করে থাকেন এই ব্যক্তিত্ব। এবার নিজের গানের সমালোচনা নিজেই নিতে পারলেন না মদন মিত্র। ফেসবুক লাইভে এসে ট্রোলারদের যা নয় তাই বলে গেলেন। তারপর আবার তাঁকে নিয়ে ট্রোল আর সমালোচনার ভিড় জমে নেটপাড়ায়।
এদিন প্রাক্তন পরিবহন মন্ত্রী ফেসবুকে বললেন, “এতদিন কেউ জানতই না ‘ও লাভলি’ কত দূর এগোবে! কিন্তু এখন দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও এর জনপ্রিয়তা প্রচুর। তাই একটাই কথা বলতে চাই, ‘ভবানীপুর টু কামারহাটি, ওয়েস্ট বেঙ্গল টু দেশের মাটি, বাংলা হবে এবার দিল্লির ঘাঁটি, মমতার হাত ধরে সামনে হাঁটি। ও লাভলি।’ কবীর সুমন বা নচিকেতাকে জিজ্ঞেস করুন এই গানের মানে কি! আপনাদের মত পাগল ছাগলদেরকে আমি উত্তর দেব না।”
নিজেকে নিয়ে হওয়া ট্রোলের বেশ মোক্ষম জবাব দিয়েছেন মদন মিত্র। পাশাপাশি এদিন ফেসবুকে নিজের গান আওড়ালেন তিনি এবং ট্রোলারদেরকে চ্যাংড়া-ছ্যাবলা বলে সম্বোধন করলেন। তাঁর এই ভিডিও মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। ইতিমধ্যেই তা ৩৪ হাজার লোক লাইক করেছেন। মন্তব্য করেছেন ৭ হাজার লোক। আর ভিউয়ার্স ছাড়িয়েছে তারও বেশি। পাশাপাশি তাঁর এই ভিডিও দেখে অনেকেই ফের আবার তাঁর মজা করেছেন।





