দীপাবলির আগেই রাজ্যে খোঁজ মিলল জেএমবি জঙ্গির। দক্ষিণ ২৪ পরগণার সুভাষগ্রাম থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাকে। জানা গিয়েছে, এই জেএমবি জঙ্গি বাংলাদেশের বাসিন্দা। তার কাছ থেকে ভুয়ো পরিচয়পত্রও উদ্ধার করেছে এনআইএ আধিকারিকরা।
গত এপ্রিলের শেষ থেকেই কয়েক দফায় মালদহ, মুর্শিদাবাদের সীমান্ত পেরিয়ে অন্তত ১৫ জন জেএমবি জঙ্গি এই রাজ্যে আসে। তাদের মধ্যে কয়েকজন যায় ওড়িশায়। কয়েকজন যায় জম্মু ও কাশ্মীরে। মে মাসের প্রথমের দিকে সীমান্ত পেরিয়ে প্রথমে কলকাতায় আসে মেকাইল খান।
এখানে সে নিজের পরিচয় দেয় শেখ সাব্বির বলে। সেই পরিচয়েই হরিদেবপুরে বাড়ি ভাড়া নেয় সে। জুন মাসের শেষের দিকে বাংলাদেশ থেকে কলকাতায় আসে হুজি তথা জেএমবি নেতা আল আমিনের ভায়রা ভাই নাজিউর রহমান পাভেল। জুলাই মাসে হরিদেবপুর থেকে ওই জঙ্গিদের গ্রেফতার করা হয়। আগামী ৮ই নভেম্বর পর্যন্ত এনআইএ তাদের নিজের হেফাজতে রেখেছে।
এই জঙ্গিদের জেরা করেই অন্য একজনের নাম জানতে পারে এনআইএ আধিকারিকরা। সেই অনুযায়ী, গতকাল, মঙ্গলবার রাতে দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার সুভাষগ্রামে তল্লাশি চালায় তারা। সেখান থেকেই আবদুল মান্নান নামের এক জেএমবি জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়।
জানা গিয়েছে সেও বাংলাদেশের বাসিন্দা। তার কাছ থেকে জাল ভোটার কার্ড ও আধার কার্ড পাওয়া গিয়েছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, এরকম ভুয়ো পরিচয়পত্র সে অনেককেই তৈরি করে দিয়েছে।
জানা গিয়েছে জেএমবি জঙ্গি আবদুল মান্নানকে আজ, বুধবার আদালতে তোলা হবে। এনআইএ তাকে নিজেদের হেফাজতে চাইবে। দীপাবলির আগে রাজ্যে কোনওরকমের কোনও নাশকতার ছক করা হচ্ছিল কী না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাছাড়া, সেই জঙ্গি এতদিন কোথায় গা ঢাকা দিয়ে ছিল, তাঁকে লুকিয়ে থাকার জন্য কেউ সাহায্য করেছিল কিনা, সে জঙ্গিকে জেরা করে এসমস্ত তথ্য চায় এনআইএ।






