রাজ্যজুড়েই বড়দিনের আগেই জাকিয়ে পড়ে গেল শীত। কোচবিহার থেকে পুরুলিয়ায় শৈত্যপ্রবাহও শুরু হয়ে গিয়েছে। যার প্রভাবে থরহরিকম্প কলকাতাবাসীর। গতকাল শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। তাপমাত্রার পারদ ঊর্ধ্বমুখী হলেও কনকনে ঠাণ্ডা হাওয়া থেকে রেহাই মেলেনি শহরবাসীর।
আবহাওয়া অফিস সূত্রে খবর, পশ্চিমী ঝঞ্চার কারণে এবছর শীত কিছুটা দেরিতে দক্ষিণবঙ্গে ঢুকলেও প্রথম থেকেই জাকিয়ে পড়ল। জাকিয়ে পড়ার ফলে ভাঙতে শুরু করেছে পুরোনো অনেজ রেকর্ড। গত পাঁচ বছরের ২১ ডিসেম্বরের আবহাওয়ার খতিয়ান দেখলে দেখা যাবে, শৈত্যের নিরিখে ২০১৯-ই সবার আগে। শেষবার ২০১৫ সালে এরকম কনকনে ঠাণ্ডা অনুভূত হয়েছিল রাজ্যে। কিন্তু সেবছরও ২১ ডিসেম্বর কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা এই বছরের থেকে ১ ডিগ্রি বেশি।
কলকাতা ও সংলগ্ন অঞ্চলের তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির ওপরে থাকলেও পশ্চিমের জেলাগুলিতে তা অনেকটাই কমেছে। গতকাল শান্তিনিকেতনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৬.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আসানসোল ও দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলের তাপমাত্রাও নেমে গিয়ে ছিল ১০ ডিগ্রিরও নীচে। বাঁকুড়ার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৬-৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শিলিগুড়ি-কোচবিহারেও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ ডিগ্রিতে নেমেছে। আর শৈলশহর দার্জিলিংয়ে শনিবারের তাপমাত্রা ছিল মাত্র ৫ ডিগ্রির কাছাকাছি।






