এখনো পর্যন্ত রেশ কাটেনি বীরভূমের বগটুই গ্রামের হত্যাকাণ্ড নিয়ে। উপপ্রধানের মৃত্যুতে ১২ জনকে জ্যান্ত পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ অথচ এই নিয়ে তৃণমূলের যেন কোন দায় নেই। দিকে দিকে তৃণমূলের নামে ধিক্কার পড়ে গেছে তবে রাজ্য সরকার এর সম্পর্কে ঠিক কী কী ব্যবস্থা এখনো পর্যন্ত নিয়েছেন তা সঠিকভাবে জানা যাচ্ছে না শুধু জানা যাচ্ছে যে কয়েকজন পুলিশ আধিকারিক কে সাসপেন্ড করা হয়েছে আর ১২ জন সিভিক ভলেন্টিয়ার কে বহিস্কার করা হয়েছে।
আর এর মধ্যেই জানা গেল যে কিছুক্ষণ আগে নদীয়াতে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এক তৃণমূল নেতা। নদীয়ার হাঁসখালি তে তৃণমূলের এক নেতা গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। পঞ্চায়েত সদস্যের স্বামীকে লক্ষ্য করে মাথায় গুলি করা হয়েছে। তাকে বর্তমানে কলকাতায় নিয়ে আসা হচ্ছে।
তৃণমূলের নিজেদের মধ্যে খেয়োখেয়ি তাদের নিজেদের সদস্যরাই মারা যাচ্ছেন এরকমটাই দেখা যাচ্ছে বর্তমানে। গুলিবিদ্ধ তৃণমূল নেতার নাম সহদেব মন্ডল। গুরুতর আহত অবস্থায় তিনি এখন শক্তি নগর হাসপাতালে ভর্তি কিন্তু জানা গেছে কিছুক্ষণের মধ্যেই তাকে কলকাতায় নিয়ে আসা হবে তার ভালো চিকিৎসার জন্য।
জানা গেছে সন্ধ্যাবেলায় বাজার থেকে ফেরার পথে তার মাথা লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে দুষ্কৃতীরা। ঘটনাস্থলের খবর পেয়ে যায় কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানার পুলিশ। তারা এখনো বিস্তারিত ভাবে কিছু জানায়নি।
তবে যথারীতি ভাবে দোষ দেওয়া শুরু হয়ে গেছে বিজেপি কর্মী সমর্থক দের উদ্দেশ্যে। অনেকে বলছেন যে পুরনো আক্রোশ থেকে তৃণমূলের কোন কর্মী এই ব্যক্তিকে গুলি মেরেছেন আবার সহদেবের সঙ্গে যে তৃণমূলের কর্মীরা এসেছেন হাসপাতালে তারা আঙুল তুলছেন বিজেপির দিকে।





