বগটুই গণহত্যাকাণ্ডে আদালত সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়ার পরই সক্রিয়ভাবে কাজ শুরু করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। এই দলে রয়েছে টেকনিক্যাল টিমও যারা নানান টেকনিক্যাল ব্যাপার-সাপার খতিয়ে দেখছেন। প্রথমেই পুলিশ কর্তাদের মোবাইলের কল রেকর্ড সংগ্রহ করা হয়েছে। ভাদু শেখ খুনের পর তারা কাদের সঙ্গে কতবার ফোনে কথা বলেছেন, তা জানার চেষ্টা চলছে।
ঘটনার দিন রাতে ওই পুলিশ কর্মী ও আধিকারিকদের লোকেশন কোথায় ছিল, তাও জানার চেষ্টা চালাচ্ছেন সিবিআই আধিকারিকরা। জেলা পুলিশ কর্মীদের জেরার আগ্ব এই সমস্ত তথ্য জেনে রাখতে চান সিবিআই আধিকারিকরা। জেরার সময় পুলিশ আদৌ সত্য কথা বলছে কী না, তা এতেই প্রমাণ হবে। এর ফলে সঠিক তথ্য বেরিয়ে আসবে।
আনারুলের কল লিস্টও সিবিআইয়ের হাতে রয়েছে বলেই খবর। আজ, সোমবারও জেরা করা হবে আনারুলকে। গতকাল রবিবার তাকে সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পে যাওয়ার সময় সে দাবী করে যে সে ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছে।
এদিকে আজ, সোমবার ফের বাতাসপুর যাওয়ার কথা সিবিআই দলের। বগটুই হত্যাকাণ্ডে বেশ আটঘাট বেঁধেই তদন্তে নেমেছেন সিবিআই তদন্তকারীরা। গতকাল, রবিবার বাতাসপুরে গিয়ে স্বজনহারাদের বয়ান রেকর্ড করেছেন তারা। সিবিআইয়ের ডিআইজি তাঁর তদন্তকারী দলকে নিয়ে রামপুরহাট হাসপাতালে যান। সেখানেও জখমদের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা।
সিবিআইয়ের নজরে এমনিতেও পুলিশের শীর্ষ কর্তারা রয়েছেন। পুলিশের থেকে বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর চায় সিবিআই। তা হল-
১. ঘটনার দিন পুলিশ কর্তারা কে কোথায় ছিলেন বা কোথায় ডিউটি করছিলেন?
২. শীর্ষ পুলিশ কর্তারা কী নির্দেশ দিয়েছিল?
৩. পুলিশ কী আদৌ ভাদু শেখের মৃত্যু নিয়ে ব্যস্ততা দেখিয়েছিল?
৪. গ্রামে যে এত বড় আগুন লাগল, তা পুলিশ কর্তারা জানতেনই না?
৫. আগুন লাগার খবর পাওয়ার পর পুলিশ কী কী পদক্ষেপ নেয়?
৬. আর ঘটনার দিন পুলিশ কর্তাদের সঙ্গে কাদের ফোনে কথা হয়েছিল?
তবে ইতিমধ্যেই পুলিশ কর্তা ও আধিকারিকদের একটি তালিকা তৈরি করে ফেলেছে সিবিআই। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ভালোভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।





