‘পিসি-ভাইপো দু’জনেই মিথ্যে লগ্নে জন্মেছে, পুরোটাই ভুয়ো’, ফের শুভেন্দুর নিশানায় তৃণমূল

বাংলায় আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে, এই নিয়ে এর আগেও সরব হয়েছে বিজেপি। বাংলার গণতন্ত্র বাঁচাতে এবার তাই পথে নামল বিজেপি। গতকাল, বুধবার হাওড়ার কদমতলা বাসস্ট্যান্ড থেকে হাওড়া ময়দান পর্যন্ত দেড় কিলোমিটার মিছিল করে গেরুয়া শিবির। এই মিছিলের নেতৃত্ব দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এই মিছিল থেকেই ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ শানান তিনি।

বুধবারের এই মিছিলে শুভেন্দু অধিকারী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে বলেন, “পিসি-ভাইপো দু’জনেই মিথ্যে লগ্নে জন্মেছে ওদের ডিগ্রিও ভুয়ো”। তাঁর সংযোজন, “রাজ্যের মানুষ জানতে চায় রুজিরা নারুলা ম্যাডাম কে? কেনই বা এঁদের থাইল্যান্ড অ্যাকাউান্টে প্রতিমাসে টাকা জমা পড়ে”।

এই একই সঙ্গে শুভেন্দু আরও বলেন, “২০২৪ এ লোকসভা বিধানসভা ভোট একই সঙ্গে হবে। তৃণমূল সাফ হয়ে যাবে। আমরা হিংসামুক্ত রাজনীতি চাই”।

এদিন দুর্গাপুর ও বাঁকুড়াতেও মিছিল করে বিজেপি।, দুর্গাপুরের মিছিলে দেখা যায় দিলীপ ঘোষ ও সুকান্ত মজুমদারকে। এদিন দুর্গাপুরের কোকওভেন থানার কাছ থেকে মিছিল শুরু হয়ে তা শেষ হয় শ্যামপুকুর মোড়ে। এদিন মিছিলে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “রাজ্যজুড়ে খুন, সন্ত্রাস, তোলাবাজি চলছে। শিল্প নেই। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার হচ্ছে। একের পর এক আমাদের লোক খুন হচ্ছে”। এদিন বাঁকুড়ার মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন বিজেপির দুই সাংসদ সৌমিত্র খাঁ ও সুভাষ সরকার।

তবে বিজেপির এমন দাবী মানতে নারাজ তৃণমূল। এই প্রসঙ্গে তৃণমূল বিধায়ক তথা মুখপাত্র তাপস রায় জানান, “প্রাসঙ্গিকতা হারিয়ে রাজনীতিতে ভেসে থাকার মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে বিজেপি। বিজেপি কোনওদিনই ঐক্যবদ্ধ হতে পারবে না। মতানৈক্য প্রতিনিয়ত স্পষ্ট হচ্ছে দলের অন্দরেই। ভাই ভেসে থাকতে মাঝে মধ্যে অনেক কিছুই করতে হয়”।

RELATED Articles