খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আশ্বাসেই চাকরি পেয়েছিলেন তিনি। মহকুমা অফিসে এতদিন একটি অস্থায়ী চাকরিও করছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি জেলা শাসকের অফিসে বদলি হওয়ার পর থেকেই বেতন বন্ধ হয়ে যায় তাঁর, সেই কারণে এবার স্থায়ী চাকরির দাবী জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পার্টি করেই কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করলেন জগন্নাথ মাহাতো। তিনি ঝাড়গ্রামের বাসিন্দা ও বিশেষভাবে সক্ষম। চলতি সপ্তাহেই এই মামলার শুনানি রয়েছে বলে খবর।
১০০ শতাংশ বিশেষভাবে সক্ষম জগন্নাথ মাহাতো। তিনি জানান যে ২০১২ সালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে চাকরির আশ্বাস দিয়েছিলে। সেই সময় জঙ্গলমহল উৎসব সেরে ফিরেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় বাসস্ট্যান্ডে তাঁকে দেখে গাড়ি দাঁড় করিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী।
এরপর তাঁর কাছ থেকে সমস্ত কিছু শোনার পর তাঁকে চাকরির আশ্বাস দেন মমতা। কিন্তু প্রায় তিন বছর কেটে যাওয়ার পরও চাকরি না পান নি ওই ব্যক্তি। এর কারণে ২০১৫ সালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করেন জগন্নাথ। এরপর ওই বছরই স্থানীয় জেলাশাসক ডেকে পাঠান তাঁকে। মহকুমা অফিসে একটি অস্থায়ী চাকরি দেওয়া হয় জগন্নাথকে।
এতদিন সবকিছু ঠিকঠাকই চলছিল। কিন্তু সমস্যার শুরু হয় চলতি বছরের মার্চ মাস থেকে। সেই সময় তাঁকে মহকুমা অফিস থেকে জেলা শাসকের অফিসে বদলি করা হয় বলে জানান জগন্নাথ। আর এরপর থেকেই তিনি আর বেতন পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ। এই নিয়ে প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি বলে জানিয়েছেন জগন্নাথ।
এই কারণে শেষ পর্যন্ত নিজেই কলকাতা হাইকোর্টে গিয়ে মামলা দায়ের করেন জগন্নাথ মাহাতো। তাঁর আইনজীবী শঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় জানান যে তাঁর মক্কেল জগন্নাথ মাহাতো স্থায়ী চাকরির দাবী জানিয়ে আদালতে মামলা করেছেন। তিনি এও জানান যে এই মামলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পার্টি করা হয়েছে।






