১০ বছরের পুরনো গাড়ি আর চালানো যাবে না। ব্যক্তিগত হোক বা বাণিজ্যিক, ১৫ বছরের পুরনো সমস্ত গাড়ি বাতিলের নির্দেশ দিল ন্যাশানাল গ্রিন ট্রাইব্যুনাল। কলকাতা ও হাওড়া-সহ গোটা রাজ্যেই এই নির্দেশ কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে। শুধু তাই-ই নয়, গণপরিবহণের ক্ষেত্রে দূষণ নিয়ন্ত্রণ করতে বিএস-৪-এর নীচে গাড়ি বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গ্রিন ট্রাইব্যুনালের নির্দেশ, পরবর্তীতে শুধুমাত্র বিএস-৪ আর বিএস-৬ গাড়ি চলবে কলকাতা ও হাওড়াতে। বলে রাখি, এর আগেও পুরনো গাড়ি বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল গ্রিন ট্রাইব্যুনালের তরফে। তা ধীরে ধীরে কার্যকর করার প্রক্রিয়া চলছে। পুরনো গাড়ির মালিকদের গাড়ি বাতিলের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ঠিকই কিন্তু সেই প্রক্রিয়ায় তেমন গতি নেই।
এর জেরে গ্রিন ট্রাইব্যুনাল এই যে নতুন নির্দেশ দিল, তা কীভাবে কার্যকর করা যায়, তা নিউএ বেশ চিন্তায় পড়েছে পরিবহণ দফতর। গাড়ির মালিকরাও বেশ চিন্তায়। এতদিন শুধুমাত্র বাণিজ্যিক গাড়ি বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এবার ১৫ বছরের পুরনো যে কোনও গাড়ি, তা বাণিজ্যিক হোক বা ব্যক্তিগত, সবই বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ট্রাইব্যুনালের তরফে।
গ্রিন ট্রাইবুনালের নির্দেশ সম্পর্কে পরিবেশকর্মী সুভাষ দত্ত জানান, ২০০৮ সালে তাঁর করা এক মামলার প্রেক্ষিতে কলকাতা হাই কোর্ট এই নির্দেশ দিয়েছিল। মাঝে ১৪ বছর কেটে গিয়েছে। এবারে গ্রিন ট্রাইবুনালের রায়ে দুটো বিষয় হয়েছে। একটা নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, শুধু বাণিজ্যিক গাড়ি সেবার বাতিল করা হবে। তবে এবারে অবশ্য বাণিজ্যিকের সঙ্গে ১৫ বছরের পুরনো ব্যক্তিগত গাড়ি বাতিলেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দূষণ কমাতে ডিজেলের গাড়ি বদলে যত বেশি সম্ভব সিএনজি বা বিদ্যুতিক গাড়ি ব্যবহার বাড়াতে হবে বলেই এদিন জানানো হয়েছে।






