দক্ষিণবঙ্গের নানান জেলায় ভারী বৃষ্টি, কলকাতাতেও বৃষ্টির পূর্বাভাস, বৃষ্টির খরা কী কাটবে দক্ষিণবঙ্গে, কী জানাচ্ছে আবহাওয়া দফতর?

শ্রাবণ মাস প্রায় শেষ হতে চলল বলা যায়, কিন্তু রাজ্যে বিশেষ করে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির খরা যেন কাটতেই চাইছে না। এই বছর বৃষ্টির ঘাটতি কমবে না বলেই মনে করছেন আবহবিদরা। বর্ষার মরশুম শুরু হওয়া থেকে এখনও পর্যন্ত বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি ছাড়া ভারী বৃষ্টির দেখা পায়নি দক্ষিণবঙ্গ। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে যে দক্ষিণবঙ্গে ৪৭ শতাংশ বৃষ্টির ঘাটতি রয়েছে।

জুন থেকে শুরু করে এখনও পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টিতে খরা চলছে। আগামী কয়েকদিনও এই ঘাটতি থাকবে। এই অবস্থা কাটার সম্ভাবনা এখনই নেই বলেই অনুমান আবহবিদদের। কলকাতায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি ও বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি থাকার কারণে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি বেড়েছে কয়েকদিন ধরেই।

হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ, মঙ্গলবারও কলকাতার আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে। এর পাশাপাশি বিক্ষিপ্তভাবে বজ্র বিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাসও রয়েছে। এই বৃষ্টিতে তাপমাত্রা আবার উর্ধ্বমুখী। গতকাল দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেড়ে ৩৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতার কিছু অংশে সামান্য বৃষ্টি হয়েছে।

অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গে আজ থেকে বৃষ্টি কিছুটা কমবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। জানা গিয়েছে দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার কোচবিহার ও জলপাইগুড়িতে বিক্ষিপ্তভাবে কয়েক পশলা ভারী বৃষ্টি হতে পারে । আবার অন্যদিকে, দক্ষিণবঙ্গের নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, উত্তর চব্বিশ পরগনা, পশ্চিম বর্ধমান এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। দক্ষিণবঙ্গে মূলত হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি সব জেলাতেই। আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা একই থাকবে বলে খবর।

তাছাড়া, অন্যদিকে, জম্মু-কাশ্মীর, উত্তরাখন্ড, হিমাচল প্রদেশ, উত্তরপ্রদেশের কিছু অংশ পাঞ্জাব, হরিয়ানা, চণ্ডিগড়েও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। হিমালয়-সংলগ্ন কোনও কোনও এলাকায় ধ্বসও নামতে পারে বলে জানা গিয়েছে। আগামী ৪৮ ঘন্টায় আসাম, মেঘালয়, মনিপুর মিজোরাম, ত্রিপুরা এবং অরুণাচল প্রদেশে ভারী বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। আবার ছত্রিশগড়, বিদর্ভ, ঝাড়খন্ড এবং বিহার উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতে ভারী বৃষ্টি হবে।

আরও অন্যান্য খবর