ধিক্কার! রেবিস ভ্যাকসিন সংরক্ষণের জন্য ফ্রিজ কেনার টাকা চুরি করছে বিজয়ন সরকার, এদিকে নির্বিচারে কুকুর হত্যা চলছে বামশাসিত কেরলে

কুকুর কামড়ানোর পর সঠিক ভ্যাকসিন নেওয়ার পরও মৃত্যু হচ্ছে একাধিকের। সম্প্রতি কেরলে এমনই ছবির দেখা মিলেছে যা সকলকে বেশ আশ্চর্যই করেছে। কুকুর কামড়ানোর পর রেবিস ভ্যাকসিন সঠিক সময়ে নেওয়ার পরও মৃত্যু হচ্ছে লোকজনদের। এর জেরে ভ্যাকসিনের সংরক্ষণ ও কার্যকারিতা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।

কেরল স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে ৯৫ হাজারেরও বেশি মানুষকে কুকুরে কামড়েছে। এদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১৮ জনের। এই ১৮ জনের মধ্যে এমন একাধিক মানুষ ছিলেন যারা রেবিস ভ্যাকসিন নিয়েছিলেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও যখন মৃত্যু হচ্ছে, তখন সরকারের দিকে আঙুল ওঠা স্বাভাবিক। কিন্তু কেন ভ্যাকসিন নেওয়া সত্ত্বেও মৃত্যু হচ্ছে কেরালাবাসীর?

এই জন্য দায়ী করা হচ্ছে কেরলের পিনারাই বিজয়নের সরকারকেই। অভিযোগ, রেবিস ভ্যাকসিন সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজন বিশেষ ফ্রিজের যাতে ভ্যাকসিন সংরক্ষিত থাকে ও সঠিক তাপমাত্রায় থাকে। কিন্তু এক রিপোর্টে দাবী করা হয়েছে যে এই ফ্রিজের জন্য বরাদ্দ টাকা চুরি করছে বামশাসিত কেরল সরকার। যে কারণে ভ্যাকসিন সংরক্ষণ করা সম্ভব হচ্ছে না সঠিকভাবে। আর এর জেরে ভ্যাকসিন হারাচ্ছে নিজের কার্যকারিতা।

সেই ভ্যাকসিন যখন কুকুরে কামড়ানো কোনও ব্যক্তিকে দেওয়া হচ্ছে, সেই ভ্যাকসিন আর কাজ করছে না সেই ব্যক্তির শরীরে। ফলে মৃত্যু হচ্ছে তাঁর। এদিকে, কুকুরে কামড়ানোর ফলে মানুষের মৃত্যুর জেরে নির্বিচারে কুকুর হত্যা চলছে সে রাজ্যে। কুকুরে হত্যা করে সংখ্যা কমানোর চেষ্টা চলছে যাতে কুকুরে কামড়ানোর ঘটনা না ঘটে।

কিন্তু এবার প্রশ্ন উঠছে যে এই ঘটনার জন্য আসল দোষী কে? সেই নিরীহ অবলা পথকুকুরগুলি নাকি কেরল সরকার যারা ফ্রিজের জন্য বরাদ্দ টাকা আত্মসাৎ করে মানুষকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিতে দু’বার ভাবছে না? এই নিয়ে বিজয়ন সরকারকে তুমুল কটাক্ষ করা হয়েছে নানান পশুসেবা সংগঠনের তরফে। কিন্তু এরপরও কী আদৌ সরকারের টনক নড়বে?, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ তো রয়েছেই।

RELATED Articles