বড় ভাঙন তৃণমূলে! ঘাসফুল শিবির ছাড়লেন হেভিওয়েট বিধায়ক, শীঘ্রই যোগ দিচ্ছেন গেরুয়া শিবিরে, সঙ্গী আরও ২

ফের বড় ধাক্কা খেল তৃণমূল (TMC)। হেভিওয়েট বিধায়ক ত্যাগ করলেন ঘাসফুল শিবির। শুধু তাই-ই নয়, বিজেপিতে (BJP) যোগ দেওয়ার কথাও জানিয়ে দিলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi) উপর আস্থা রেখেই গেরুয়া শিবিরে এবার পথ চলতে চান বলে জানালেন তৃণমূলত্যাগী নেতা। গতকাল, সোমবারই বিধানসভার স্পিকারের কাছে ইস্তফাপত্র জমা দেন ওই বিধায়ক (TMC MLA)।

মেঘালয়ের তৃণমূলে ভাঙন ঘটল। তৃণমূল বিধায়ক এইচএম সাংপ্লিয়াং নিজের ইস্তফাপত্র জমা দিলেন এবার। শুধু তিনিই নন, মেঘালয়ের ন্যাশানালিস্ট পিপলস পার্টি অর্থাৎ এনপিপি-র দুই বিধায়কও দল ছেড়ে ইস্তফাপত্র দিয়েছেন স্পিকারের কাছে। এরা সকলেই যোগ দেবেন বিজেপিতে।

প্রসঙ্গত, মেঘালয়ে বিজেপির সঙ্গে জোট বেঁধে সরকারে রয়েছে এনপিপি। এবার এনপিপির দুই বিধায়ক ফার্লিন সাংমা ও বেনেডিক ম্যারাক বিধানসভা থেকে পদত্যাগ করার পাশাপাশি দলের সদস্যপদও ত্যাগ করেছেন তাঁরা। আর ঘাসফুল শিবির থেকে বেরিয়েও এসেছেন এইচএম সাংপ্লিয়াং। সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে, খবর, তাঁরা গতকাল মেঘালয় বিধানসভার স্পিকার মেটবাহ লিংদোহের কাছে ইস্তফা দেন।

আগামী বছরই মেঘালয়ে বিধানসভা নির্বাচন হওয়ার কথা। এর আগেই ভাঙন ঘটল ঘাসফুল শিবিরে। তৃণমূল বিধায়ক ও এনপিপি-র বিধায়কদের দলে স্বাগত জানিয়েছেন বিজেপির এক নেতা। তাঁর কথায়, “এই রাজ্যের সামগ্রিক উন্নয়নের দিকে একমাত্র নজর রয়েছে বিজেপিরই”।

গত বছরের নভেম্বরেই তৃণমূলে যোগ দেন সাংপ্লিয়াং। এক বছরেই মোহভঙ্গ হল তাঁর। এদিন ইস্তফা দিয়ে সাংপ্লিয়াং বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উন্নয়ন কর্মসূচির উপর আমাদের আস্থা রয়েছে। তাই আমরা তিনজন দিল্লি গিয়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি”।

বলে রাখি, ৬০ আসনের মেঘালয় বিধানসভায় জোট বেঁধে সরকার চালাচ্ছে বিজেপি ও এনপিপি। কিন্তু এনপিপি-র দুই বিধায়কের দলত্যাগের ফলে বিজেপির জোটসঙ্গী ভাঙিয়ে আনার একটা রাস্তা তৈরি হয় বলা জেতেই পারে। তৃণমূল ছেড়ে আসা বিধায়ক জানান যে তারা শীঘ্রই দিল্লি গিয়ে বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নিতে চান। তিন বিধায়কের ইস্তফা দেওয়ার কারণে বর্তমানে মেঘালয়ের বিধানসভার সদস্য কমে দাঁড়িয়েছে ৫৭-তে।

আরও অন্যান্য খবর