করোনা নিয়ে উদ্বেগ এখন বাড়ছে। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে করোনা বিধি মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আগামী সপ্তাহেই বাংলায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তবে এই করোনা আতঙ্কের মাঝে কোনও জনসভা করতে নারাজ তিনি। এর জেরে বেশ হতাশ বঙ্গ বিজেপি নেতারা। তবে জানা যাচ্ছে, বঙ্গ বিজেপির এক প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে পারে।
আগামী ৩০শে ডিসেম্বর একাধিক সরকারি কর্মসূচি নিয়ে রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী। নমামি গঙ্গে পরিষদের বৈঠকে থাকবেন তিনি। এর পাশাপাশি রেলের একাধিক প্রকল্পের সূচনা করারও কথা রয়েছে তাঁর। বঙ্গ বিজেপির তরফে ওইদিন একটি জনসভা করার জন্য অনুরোধ বার্তা পাঠানো হয়েছিল প্রধানমন্ত্রীর কাছে। পঞ্চায়েত ভোটকে সামনে রেখে হাওড়ার ডুমুরজলা ময়দানে মোদীকে দিয়ে সভা করিয়ে হাওয়া তোলার পরিকল্পনা ছিল গেরুয়া শিবিরের। কারণ রাজ্য বিজেপি সাংগঠনিকভাবে দুর্বল।
কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর তরফ থেকে জনসভা করার অনুরোধ খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের বক্তব্য, “ডুমুরজলা ময়দানে প্রধানমন্ত্রীকে দিয়ে সভা করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কোভিডের কারণে সভা করবেন না প্রধানমন্ত্রী”। তবে রাজ্য বিজেপির এক প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে পারে বলে জানান তিনি।
এ রাজ্যে বিজেপির নিচুতলায় কর্মীর অভাব রয়েছে। বুথ লড়াইয়ের থেকেও পঞ্চায়েত নির্বাচনে আইনি পথে লড়ার দিকেই হয়ত গেরুয়া শিবির বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে বলে মত রাজনৈতিক মহলের। সেই কারণেই আইনি বিভাগ গঠন করা হচ্ছে। দলের মধ্যেও এই নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
পঞ্চায়েত ভোটের জন্য মূল সমন্বয় কমিটি তো বটেই, এর পাশাপাশি অন্যান্য কিছু বিভাগ গঠন করা হয়েছে। আইনি বিভাগেই সবথেকে বেশি সদস্য রাখা হয়েছে। ৬ জন আইনজীবী এই সেলের দায়িত্বে রয়েছেন। আইনজীবী লোকনাথ চট্টোপাধ্যায়কে লিগাল ইনচার্জ নিযুক্ত করা হয়েছে। অন্যদিকে, পঞ্চায়েত কমিটিতে পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় রক্ষার দায়িত্ব রয়েছে প্রাক্তন আইপিএস ভারতী ঘোষ ও দলের রাজ্য নেতা অভিজিৎ দাসের উপর।






