রাজ্যের নতুন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস বাংলা ভাষা শেখার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। সেই কারণে আজ, সরস্বতী পুজোর দিন রাজভবনে তাঁর হাতেখড়ি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এদিনের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আমন্ত্রিত ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। কিন্তু তিনি সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন নি। কেন এই গরহাজিরা, তা নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন বিজেপি নেতা।
বাংলা সংস্কৃতির সঙ্গে রাজ্যপালের এই একাত্ম হওয়ার বিষয়টিকে স্বাগত জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তবে তাঁর কথায়, রাজ্যপালের এই হাতেখড়ি অনুষ্ঠানকে রাজনৈতিকভাবে অপব্যবহার করছে রাজ্য সরকার। টুইট করে এই নিয়ে একটি বিবৃতি দেন শুভেন্দু। এমনকি, তোপ দাগেন রাজ্যপালের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি নন্দিনী চক্রবর্তীকেও।
বিবৃতে শুভেন্দু লিখেছেন, ওই আমলা মুখ্যমন্ত্রীর গোপন রাজনৈতিক অভিসন্ধি পূরণের জন্য কাজ করছেন। শুভেন্দুর কথায়, রাজ্যের শিক্ষা দফতর যখন দুর্নীতির অভিযোগে জর্জরিত, যখন দুর্নীতির অভিযোগে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী জেলে রয়েছেন, তখন সেই সব থেকে নজর ঘোরাতে রাজ্য সরকার এই ধূর্ত চাল খেলছে।
বিরোধী দলনেতার কথায়, এদিন বিকেল পাঁচটায় রাজ্যপালের যে হাতেখড়ি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, তা রাজ্যপালের চেয়ার এবং রাজভবনের পদমর্যাদার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। অতীতে এই রাজ্য সরকারই বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্য পদ থেকে প্রাক্তন রাজ্যপালকে সরানোর বিষয়ে বিল পাশ করেছে, সেকথাও নিজের বিবৃতিতে তুলে ধরেন শুভেন্দু।
এই সঙ্গে শুভেন্দু আরও লেখেন, যিনি বাংলা ভাষায় প্রথম হাতেখড়ি নিচ্ছেন, প্রধান অতিথি তাঁকে বার্তা দেওয়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে রয়েছেন। বিরোধী দলনেতার কথায়, জনসাধারণের করের টাকায় এমন হাস্যকর পরিস্থিতির সাক্ষী থাকতে চান নি তিনি, সেই কারণেই তাঁর এই গরহাজিরা।





