বকেয়া ডিএ-র দাবী নিয়ে আন্দোলনে অনড় রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। আজ, শুক্রবার ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন তারা। অন্যদিকে, এই ধর্মঘট বানচাল করতে রাজ্য সরকারের তরফে নানান পদক্ষেপ করা হয়েছে। হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে যে ধর্মঘট করলে বেতন কাটা ও চাকরিতে ছেদ হবে। সেই প্রেক্ষিতে পাল্টা ধর্মঘটীদের চ্যালেঞ্জ, “চাকরি ছেদ করে দেখান দেখি”।
রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের এই ধর্মঘট কতটা সফল, সেদিকে নজর রয়েছে সকলের। এই ধর্মঘট রুখতে নানান পদক্ষেপ করেছে রাজ্য সরকার। অন্যদিকে, ধর্মঘট সফল করতে উদ্যত আন্দোলনকারীরা। রাজ্যের এই নির্দেশিকার প্রেক্ষিতে মুখ্যমন্ত্রী উদ্দেশে ধর্মঘটীরা বলেন, “যিনি কর্মজীবনে ছেদের অর্ডার দিয়েছেন, তাঁর শিক্ষার অভাব। তা সত্ত্বেও বলছি, পারলে চাকরিতে ছেদ করে দেখান, তাহলে আদালতে যেতে হবে”।
আন্দোলনকারীদের কথায়, “সরকার বলছে চাকরি ছেদ করব। কবে করবে? অবসরের সময়। তখন এই সরকারই থাকবে না”।
নানান জায়গাতেই এই ধর্মঘটের বেশ প্রভাব পড়েছে বলা যায়। মালদা, মুর্শিদাবাদ ও অন্যান্য জেলায় মর্নিং স্কুলগুলিতে পড়ুয়ারা পৌঁছেছে। কিছু শিক্ষক-শিক্ষিকাও গিয়েছেন তবে রেজিস্টারে সই করেন নি কেউ। অর্থাৎ ধর্মঘটকে সমর্থন করছেন তারা। উত্তরবঙ্গের কিছু স্কুল বন্ধ।
এদিকে, কলকাতার বেশ কিছু স্কুল-কলেজে কিছু শিক্ষক ক্লাস করাচ্ছেন বটে তবে অনেকেই অনুপস্থিত। আরও বেলা বাড়লে তবে ধর্মঘটের গতিপ্রকৃতি আরও ভালোভাবে বোঝা যাবে।
এদিকে এদিন সরকারি চাকরিজীবীদের আন্দোলনের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, “সব রাজ্য যখন দিচ্ছে, তখন বকেয়া ডিএ এ রাজ্যেও দিতে হবে। ছুটি দিয়ে ডিএ পোশানো যায় না”।





