করোনা কাঁটায় জর্জরিত গোটা বিশ্ব। নিস্তার নেই ভারতেরও। সচেতনতার প্রচারে শুরু থেকেই নানান পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে কেন্দ্র। এই সচেতনতা বৃদ্ধিতে এগিয়ে এসেছে জিও বা বিএসএনএল এর মত টেলিকম সংস্থাগুলিও। তাই এবার থেকে ব্যবহারকারীদের ফোন করলেই পাওয়া যাবে সেই সচেতনতার বার্তা। কাশির মাধ্যমে শুরু হওয়া সেই বার্তা পাবেন জিও ও বিএসএনএল ব্যবহারকারীরা।
কাউকে ফোন করে হঠাৎ খুক খুক করে কাশির শব্দে চমকে যাবেন না। এবার করোনা সচেতনতায় ফোনে কলার টিউন বা সাধারণ রিং-এর পরিবর্তে মাঝে মাঝেই শুনতে পাবেন এই কাশির শব্দ, সঙ্গে পাবেন সচেতনতার বার্তা। করোনা নিয়ে সচেতনতার প্রচার করতে সোশ্যাল মিডিয়া, সংবাদমাধ্যমগুলির মধ্যে দিয়ে একাধিক প্রচার সারলে এবার টেলিকম সংস্থাগুলিকে বেছে নিয়েছে কেন্দ্র।
এক স্বাস্থ্য আধিকারিক জানান, “কোভিড ১৯ -এর বিস্তার রুখতে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা সম্পর্কে দেশের মানুষকে সচেতন করার জন্য, কেন্দ্রীয় সরকার একটি কল-সচেতনতামূলক বার্তা দিয়েছে।”
হিন্দি এবং ইংরাজিতে টেলিকম সংস্থাগুলির তরফ থেকে এই বার্তা দেওয়া হচ্ছে। ওই সচেতনতা বার্তায় আরও বলা হয়েছে, “মুখ, চোখ বা নাকে হাত দেওয়া এড়িয়ে চলুন। কারও যদি কাশি, জ্বর বা শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখেন তবে তাঁর থেকে অন্তত ১ মিটার দূরত্ব বজায় রাখার চেষ্টা করুন। প্রয়োজনে অবিলম্বে নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যান”। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা হু জানিয়েছে, এই রোগে গোটা বিশ্বে এক লক্ষেরও বেশি লোক সংক্রামিত হয়েছে, করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন প্রায় সাড়ে তিন হাজার মানুষ। ভারতে প্রায় ২৯ হাজার মানুষকে কড়া চিকিৎসা নজরদারিতে রাখা হয়েছে, এদেশে এখনও পর্যন্ত ৩৩ জনের দেহে ওই মারণ ভাইরাস থাকার প্রমাণ মিলেছে। তার মধ্যে আবার ১৬ জন ইতালির পর্যটকও রয়েছেন। চিনের পরেই এই মারণ ভাইরাস যেখানে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেছে তা হল ইতালি। সেখানে শতাধিক মানুষের মৃত্যুর খবর মিলেছে।





