বৃহস্পতিবার বাজার খুলতেই ধাক্কা লগ্নিকারীদের। সেনসেক্স নেমে গিয়েছে ১৭০০ পয়েন্টে। পাশাপাশি ৫০০ পয়েন্ট নেমেছে নিফটিও। ৫০০ পয়েন্ট নেমে ১০ হাজারের নীচে নিফটি। মূলত করোনা আতঙ্কের জেরেই শেয়ার বাজারে এই ধস বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। একদিকে যেমন করোনা ভাইরাসের আতঙ্ক, উল্টোদিকে ইয়েস ব্যাংকের সঙ্কটের জেরে বৃহস্পতিবার রীতিমতো ধাক্কা শেয়ার বাজারে।
আগেই স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, ২৪৫০ কোটি টাকায় ইয়েস ব্যাঙ্কের ৪৯ শতাংশ শেয়ার কিনতে চলেছেন তাঁরা। একইসঙ্গে এসবিআই আরও জানায়, ইতিমধ্যেই নাকি বেশ কিছু বিনিয়োগকারীও এসবিআইয়ের শেয়ার কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
উল্লেখ্য, বর্তমানে বিপাকে রয়েছে ইয়েস ব্যাঙ্ক। আগামী এক মাস ৫০ হাজার টাকার বেশি তোলা যাবে না ইয়েস ব্যাঙ্ক থেকে। ইতিমধ্যেই রিজার্ভ ব্যাঙ্কের তরফে এই মর্মে নির্দেশিকাও জারি করা হয়েছে।
রিজার্ভ ব্যাঙ্কের তরফে জানানো হয়েছে, ব্যাঙ্কের আর্থিক অবস্থা বেশ খারাপ হয়ে গিয়েছে। গ্রাহকদের আস্থা ফেরাতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের তরফে। একদিকে করোনা ভাইরাস নিয়ে প্রবল আতঙ্ক এবং উল্টোদিকে দেশের বেসরকারি ওই ব্যাঙ্কের আর্থিক সংকটের জেরেই শেয়ার বাজারে ধস নেমেছে বলে মনে করছেন অনেকে।
উল্লেখ্য, গত ১১ই মার্চ দেশীয় বাজারে সেনসেক্স কমে গিয়ে ৩৩,৮৪৪.১৮ এ নেমে গিয়েছিল, আর নিফটি নেমে ৯,৯১৬.০০ এ নেমেছিল।
চিনে করোনা ভাইরাস দেখা দিলেও এর আতঙ্ক গোটা দুনিয়ায় ছড়িয়েছে৷ পাশাপাশি প্রভাব ফেলেছে বিশ্ব অর্থনীতিতেও৷ গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দুনিয়াজুড়ে শেয়ার বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে৷ এমন পরিস্থিতিতে সংশয়ে রয়েছেন লগ্নিকারীরাও৷ শেয়ারের বদলে সোনার মতো অন্য কোনও কম ঝুঁকির সম্পদে লগ্নির দিকে ঝুঁকছেন লগ্নিকারীরা৷ তাই বিশ্বের প্রধান প্রধান শেয়ার বাজারের পাশাপাশি এদেশের শেয়ার বাজারেও প্রভাব পড়তে দেখা গিয়েছে। এই সংকটাবস্থা কাটবে কবে, জানেন না কেউই।





