অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুত এর মৃত্যু বলিউডের বহু বন্ধ দরজায় কড়া নেড়ে দিয়ে গিয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম একটি দরজা হল নেপোটিজম বা স্বজনপোষণ। বলিউডের স্বজনপোষণের অভিযোগ নতুন নয়। কিন্তু সুশান্তের মৃত্যু যেন এই অভিযোগকে আরো বেশি করে প্রতিষ্ঠা করে দিয়ে গেল। ধীরে ধীরে মুখ খুলতে শুরু করেছেন একের পর এক অভিনেতা-অভিনেত্রী। সোনু নিগমের মতো গায়কও বলিউডি নেপোটিজম নিয়ে বিস্ফোরক সাক্ষাৎকার দিয়েছেন।
এইবারে বোমা ফাটালেন অভিনেতা অভয় দেওল। অবশ্যই নিজে একজন স্টারকিড। হিন্দি সিনেমার দেওল পরিবারের অন্যতম উজ্জ্বল সদস্য। সেই অভয় যখন মুখ খুলেছেন নেপোটিজম নিয়ে তখন স্বাভাবিকভাবেই বিতর্ক শুরু হবে বলাই বাহুল্য। ঘন্টা দুয়েক আগে ইনস্টাগ্রামে নিজের জীবনের অন্যতম সেরা ছবি ‘জিন্দেগি না মিলেগি দোবারা’ থেকে একটি স্টিল পোস্ট করে তার তলায় একটি দীর্ঘ ক্যাপশন দিয়েছেন অভয়।
সেখানে অভয় লিখেছেন, “২০১১ সালে মুক্তি পাওয়া এই সিনেমার নামটা তিনি প্রত্যেকদিন একবার করে জপ করেন। যখনই অবসাদ আসে বা মানসিক চাপ তখন এই ছবিটা একটা মুক্তির স্বাদ দেয়। কিন্তু সেই সময় এই ছবিটা যতগুলো পুরস্কারের মঞ্চে গিয়েছিল তার প্রত্যেকটিতে তাঁকে এবং ফারহান আখতারকে সাপোর্টিং অ্যাক্টর হিসাবে মনোনীত করা হয়েছিল। হৃত্বিক রোশন ও ক্যাটরিনা কাইফকে এই ছবির লিডিং অ্যাক্টর হিসাবে মনোনীত করা হয়। ইন্ডাস্ট্রির মতে, এই ছবিটা নাকি একজন পুরুষের আরেকজন মহিলার প্রেমে পড়ার গল্প। যে পুরুষকে সাপোর্ট করার জন্য তার দুই বন্ধু ছবিতে উপস্থিত আছে। এই বন্ধুরা সেই পুরুষটিকে তার জীবনের বিভিন্ন ডিসিশন নিতে সহায়তা করে।
ইন্ডাস্ট্রিতে নানা রকম ভাবে লবি বাজি করা হয়। এটা ছিল তার আরেকটা রূপ। স্বাভাবিকভাবেই আমি এই জিনিসটা মেনে নিতে পারিনি এবং পুরস্কার মঞ্চগুলিকে বয়কট করেছিলাম কিন্তু ফারহান জিনিসটার সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছিল।
#ফ্যামিলিফেয়ারঅ্যাওয়ার্ডস, এই পোস্ট অভয় করতেই মুহুর্তেই তা ছড়িয়ে পড়ে নেটদুনিয়ায়। বিশেষ করে তাঁর ক্যাপশনের শেষে অভয় যে হ্যাশট্যাগ দিয়েছেন ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডকে কটাক্ষ করে তা নেটাগরিকদের মন কেড়েছে। সকলেই বলতে শুরু করেছেন যে একজন সিনিয়র স্টার কিড যদি এই কথা বলেন তাহলে যেসব অভিনেতা অভিনেত্রী যাদের কোন ব্যাকগ্রাউন্ড নেই ইন্ডাস্ট্রিতে তাঁদের অবস্থা যে কী হয় তা সহজেই অনুমেয়।





