টেলিভিশনের নানান ধারাবাহিকের মধ্যে কিছু কিছু ধারাবাহিক মানুষের মনে জায়গা করে নেয়। স্টার জলসার ‘দেশের মাটি’ ধারাবাহিকও সেরকমই একটি ধারাবাহিক। প্রথমের দিকে কিয়ান-নোয়ার প্রেম দর্শকের নজর কাড়লেও, বর্তমানে দর্শক মজেছে রাজা-মাম্পির প্রেমে।
এই ধারাবাহিকে অভিনয় করছেন তাবড় তাবড় সব অভিনেতা অভিনেত্রীরা। দিব্যজ্যোতি দত্ত, শ্রুতি দাস, রুকমা রায়, রাহুল ব্যানার্জি, ভরত কল, শংকর চক্রবর্তী, রীতা দত্ত চক্রবর্তী, দেবোত্তম মজুমদার, রাহুল ব্যানার্জির মত নতুন পুরোনো সবকালেরই হেভিওয়েট তারকাদের সমাগম এই ধারাবাহিক।
এই ধারবাহিকে এসিপি সাহেবের চরিত্রে অভিনয় করছেন প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়। নোয়াকে শিবু গুণ্ডাদের হাত থেকে বাঁচান এসিপি সাহেব। এরপর নোয়ার পরিবারের সঙ্গে তাঁর বিশেষ সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। ধারাবাহিকে দেখা যাচ্ছে, ছোটো মা’র প্রাক্তন প্রেমিক ছিলেন তিনি। তবে তাঁর প্রেমকে অস্বীকার করে কিয়ানের বাবাকে বিয়ে করেন ছোটো মা।
তবে এই এসিপির সাহেবের আসল পরিচয় জানেন কী? পুলিশের চরিত্রে অভিনয় করলেও তিনি কিন্তু বাস্তব জীবনেও একজন পুলিশ। দীর্ঘ বেশ কিছু বছর জলপাইগুড়ি এবং মালদহ ডিভিশনে ডিআইজি পদে প্রশাসনিক দায়িত্বে রয়েছেন। তার উচ্চতা প্রায় ৬ ফুটের কাছাকাছি। জলপাইগুড়ি আর মালদহ অঞ্চলের ডিআইজি হিসেবে আমফান থেকে খরা, বন্যা সব সামলেছেন তিনি। কলকাতা পুলিশের ট্রাফিক প্রশিক্ষণের দায়িত্ব পালন করেছেন।
আরও পড়ুন- একসঙ্গে মুক্তি পেলেও সানির ‘গদর’এর থেকে বক্স অফিস সাফল্যে পিছিয়ে ছিল ‘লগান’, মানলেন পারফেকশনিস্ট
কিন্তু অভিনয়ের জন্য তাঁর চাকরিতে ক্ষতি হচ্ছে না? প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, “আমি ৬ বছর বয়স থেকে অভিনয় করছি। পরবর্তীকালে তথ্যচিত্রে অভিনয় করেছি। নাটকের দল আছে আমার। নিয়মিত অভিনয় করি। কিন্তু যখন ওই খাকি পোশাকটা পরি তখন ওই ফ্যানপেজ, সংলাপ সব কিছু থেকে নিজেকে সরিয়ে ফেলি। পুলিশ আর অভিনেতা দুই সত্ত্বাকে আলাদা করতে পারি আমি”।
নিজের পেশাকে খুবই ভালোবাসেন তিনি। এমনকি, পরের জন্মের তিনি পুলিশ হয়েই ফিরতে চান। তিনি আরও বলেন, “যে একবার খাকি পরে নিয়েছে, তাঁর ডিএনএ তে খাকি ঢুকে যায়। শুধু অপরাধীদের নিয়ে চলা নয়, বন্যা থেকে করোনা, সবেতেই মানুষকে সেবা করার সুযোগ পুলিশই সরাসরি পায়”।





