৭০ বছর পার করলেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। অভিনেতার ‘এক ছোবলে ছবি’ সংলাপ নিয়ে যা বিতর্ক তৈরি হয়, এর থেকেও বেশি বিতর্কিত অভিনেতার ব্যক্তিগত জীবন।
বিবাহিত হয়েও অন্য একজনকে বিয়ে করার অভিযোগ ওঠে তাঁর উপর। এই শুনে আত্মহত্যার করতে যান অভিনেতার স্ত্রী।
সত্তরের দশকে ফ্যাশন দুনিয়ায় প্রভূত উন্নতি করেন হেলেনা লিউক। ১৯৮০ সালে ‘জুদাই’ ছবিতেও অভিনয় করেছিলেন তিনি। এই হেলেনা লিউকের সঙ্গেই বিয়ে হয় মিঠুন চক্রবর্তীর। কিন্তু সেই বিয়ে সাত মাসও টেকেনি। এরপর যোগিতা বালিকে বিয়ে করেন অভিনেতা।
আরও পড়ুন- একবার খাকি পড়লে তার ডিএনএ-তে খাকি ঢুকে যায়! বক্তব্য ‘দেশের মাটি’র এসপি অভিমন্যু
অবশ্য যোগিতা বালির এটা ছিল দ্বিতীয় বিয়ে। প্রথমবার কিশোর কুমারের সঙ্গে বিয়ে হয় তাঁর। কিন্তু সেই বিয়ের স্থায়ীত্ব ছিল দু’বছর। এরপর ১৯৭৯ সালে মিঠুন ও যোগিতার বিয়ে হয়।
প্রথমের দিকে তাদের বৈবাহিক সম্পর্ক ঠিকঠাক থাকলেও শ্রীদেবীর সঙ্গে মিঠুনের অভিনয় শুরুর পর থেকেই মিঠুন ও যোগিতার দাম্পত্য জীবনে শুরু হয় অশান্তি। এমনও শোনা যায় যে, ১৯৮৫ সালে মন্দিরে গিয়ে গোপনে শ্রীদেবীকে বিয়েও করেছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী।
এই কথা শুনেই আত্মহত্যা করতে যান যোগিতা বালি। কিন্তু পরে সংবাদমাধ্যমে তিনি এও বলেন যে “ওঁর দ্বিতীয় স্ত্রীকে আমি মেনে নেব”।
তবে এদিকে, শ্রীদেবী নাকি জানতেন তিনি মিঠুনের সঙ্গে যোগিতার ছাড়াছাড়ি হয়ে গিয়েছে। কিন্তু পরে তিনি জানতে পারেন যে মিঠুনের সঙ্গে তাঁর স্ত্রীর তখনও সম্পর্ক ছিল ও মিঠুন তাঁর স্ত্রীকে কখনই ছাড়বেন না বা কষ্ট দেবে না। একথা জানার পর মিঠুনের সঙ্গে সম্পর্কে ইতি টানেন শ্রীদেবী। ১৯৮৮ সালে তাদের সম্পর্ক শেষ হয়ে যায়।
আরও পড়ুন- একসঙ্গে মুক্তি পেলেও সানির ‘গদর’এর থেকে বক্স অফিস সাফল্যে পিছিয়ে ছিল ‘লগান’, মানলেন পারফেকশনিস্ট
তবে এমনও শোনা যায় যে মিঠুন নাকি চেষ্টা করেছিলেন যাতে শ্রীদেবীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের কথা গোপন থাকে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। শ্রীদেবীর কাছ থেকে কষ্ট পাওয়ার পর নিজের স্ত্রীর কাছেই ফিরে আসেন অভিনেতা।





