এখন সোশ্যাল মিডিয়া খুললেই চোখে পড়ে ট্রোলিং। বিশেষত কোনও সেলেব্রিটিকে নিয়ে ট্রোল করা এখন তো জলভাত। সেলেব্রিটি মানেই তাদের কোনও ভুলচুক হতে পারে না, তাদের সবসময় ‘পারফেক্ট’ থাকতে হবে। কিন্তু এমন ভাবা মানুষগুলো হয়ত সত্যি বড্ড বোকা। মানুষ মাত্রই ভুল করে। তারাও তো আমি আপনার মতো রক্ত-মাংসের মানুষ। তাহলে তারা যদি কখনও সামান্য ভুলও করেন, নেট দুনিয়ায় শুরু হয়ে যায় সমালোচনার ঝড়। আবার অনেকে কোনও কিছু ভুল না করলেও মানুষ তাকে নিয়ে ট্রোল করা কিন্তু বন্ধ করে না।
ঠিক যেমনটা হয়েছে বাংলা অভিনেত্রী সায়ন্তিকা ঘোষের সঙ্গে। দেখতে সায়ন্তিকা সব ক্ষেত্রেই সিদ্ধ হস্ত। অভিনয়, নাচ, ফিটনেসের দিক দিয়ে তার জুড়ি মেলা ভার। সম্প্রতি নিজের সোশ্যাল মিডিয়া পেজে নিজের ফটোশুটের ছবি দিয়ে মারাত্বক ট্রোল হলেন নায়িকা। ছবিতে তাকে দেখা গেছে লাল রঙের শাড়ি ও স্লিভলেস ব্লাউজে। তার এই বোল্ড রূপে ঘায়েল হয়েছেন অনেক পুরুষই। খোলা চুল ও আকর্ষণীয় মেকাপে তিনি আগুন ধরিয়েছেন নিজের সোশ্যাল মিডিয়াতে।
কিন্তু ওই, বাধ সাধল ওই ট্রোলিং। তার এই ছবি পোস্ট করার পর থেকেই নানা রকমের কথা কানে আসতে থাকে। না,শুধু বোল্ড ফটোশুটই কারণ নয়, আসল কারণ হল, সায়ন্তিকা একটি কালো রঙের প্যান্টের ওপর শাড়ি পরেছিল। তা সহজে বোধগম্য হয়নি নেট দুনিয়ার একাংশের।
অনেকে যেমন তার আকর্ষণীয় রূপের প্রশংসা করে, তেমনি উল্টোদিকে নিন্দার ঝড় আসতে থাকে তার দিকে। প্যান্টের সঙ্গে শাড়ি পরাটা অনেকেই ভালো চোখে দেখেননি। তার এই ছবিতে অনেকে কমেন্ট করে লিখেছেন যে, “প্যান্ট উইথ শাড়ি, বড্ড বাড়াবাড়ি’ অনেকে আবার লিখেছেন, তিনি নাকি শাড়ির সম্মান হানি করেছেন। অনেকেই আবার বলেছেন, বিকিনির সঙ্গে শাড়ি নাকি বড়োই ভালগার। এছাড়াও,তার রুচিবোধ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন অনেকে।
এই বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে বিনোদন জগতের সকলেই চাইছেন কীভাবে নিজেদের ভক্তদের খুশি করা যায়। এই কারণে লকডাউনের মধ্যে বাড়িতে বসেই দর্শকদের উদ্দেশে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট করেন সায়ন্তিকা। করোনার জন্য কি কি প্রয়োজনীয়তা অবলম্বন করা উচিত তাও শেয়ার করেন নায়িকা। কিন্তু এতো কিছু সত্ত্বেও দর্শকের একাংশের ট্রোলের হাত থেকে মুক্তি পান নি তিনি।





