কেমো নেওয়ার পর মধ্যরাতে নিজেকে আয়নায় দেখে চমকে উঠেছিলেন ঐন্দ্রিলা! তবুও সব্যসাচীর আশা ফিনিক্স পাখির মতই ফিরবেন তার প্রেমিকা

টলিউডের ধারাবাহিকের জনপ্রিয় মুখ ছিলেন ঐন্দ্রিলা শর্মা । তার অভিনয় নিয়ে রীতিমত মুগ্ধ করেছে সকলকে। সময়ের সাথে বেড়েছে অনুগামীর সংখ্যা। তবুও জীবনে হাল না ছাড়ার লড়াইয়ে আরো একবার সামিল করেছেন তিনি।

একাদশ শ্রেণীতে পড়াশোনা সময় হঠাৎ করেই অন্ধকার ঘনিয়ে আসে তার জীবনে। তিনি জানতে পারেন তিনি ক্যান্সারের মত মারণ রোগে আক্রান্ত।সেই মুহূর্ত থেকেই জীবনের লড়াই করে বেঁচে থাকার কথা নিজের মধ্যে গেঁথে নিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি জি বাংলার রিয়েলিটি শো দিদি নং ১ এ একটি পুরানো ভিডিও বেশ ভাইরাল হয়। সেখানেই তিনি ভাগ করে নিয়েছেন সমস্ত মনের কথা। তার অদম্য লড়াই দেখে অবাক সকলেই। রীতিমত স্যালুট জানিয়েছেন বাকিরা।

কেমো নেওয়ার পরে শারীরিক যন্ত্রণার পাশাপাশি সকলকে মানসিক এক যন্ত্রণার মুখাপেক্ষী হতে হয়। বাদ যাননি অভিনেত্রী। সেই অকপট স্বীকারোক্তি যেন চোখে জল এনে দেয়।কেমো নেওয়ার পর স্বাভাবিক ভাবেই মাথার সব চুল পড়ে গেছে, চোখে মুখে বিকৃতির ছাপ সুস্পষ্ট।এরকম অবস্থায় রাতের দিকে ওয়াশরুমে যান তিনি। কেমো নেওয়ার পর মুখ জ্বালা করছিল। চোখে মুখে জল দেন তিনি।এরপরেই নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে গলা কেঁপে ওঠে তার।তারপর আয়নায় তাকিয়ে নিজেকে দেখেই ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন। তাঁর কথায়, ‘আমিই যদি নিজেকে এত ভয় পাই, তা হলে বাইরের লোকেদের কী অবস্থা হয়েছিল?’

অভিনেত্রীর বাবা পেশায় ডাক্তার, মা নার্স। দুজনের যৌথ উদ্যোগে অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন তিনি। কিন্তু জীবন বড়োই কঠিন।কিন্তু গত বছরে ফের মারণ রোগে আক্রান্ত হন তিনি। তবে এবারে তিনি পাশে পেলেন তার প্রেমিক সব্যসাচী চৌধুরীকে। সর্বদা নিজের কাছে আগলে রেখেছেন তিনি, গল্প করেন , উৎসাহ দেন। তাদের প্রেমের মুহূর্ত ভাগ করে নেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। যা নিয়ে উৎসাহিত এবং প্রশংসার কথা শোনা যায় সর্বত্র। সব্যসাচীর মতে, ছাই থেকে যেমন ফিনিক্স পাখি উঠে আসে, সেইভাবে ঐন্দ্রিলা ফিরবেন তাঁর কর্মক্ষেত্রে।’

Khabor24x7 Desk

আরও পড়ুন

RELATED Articles