বলিউডের ড্রামা কুইন কঙ্গনা রানাওয়াত কে বিতর্ক সর্বদাই অব্যাহত। গতকাল অভিনেত্রীর একটি মন্তব্য থেকে শুরু হয় বিতর্ক।সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কঙ্গনা জানান স্বাধীনতা যদি ভিক্ষে করে পাওয়া যায়, তাহলে তা কী করে স্বাধীনতা হতে পারে ? যে স্বাধীনতা পাওয়া গিয়েছিল, তা ছিল ভিক্ষে। প্রকৃত স্বাধীনতা পাওয়া গিয়েছে ২০১৪-তে। এই মন্তব্য নিয়েই শুরু হয় বিতর্ক।
বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় সুরকার বিশাল দাদলনি এই বিষয়ে সোশ্যাল মিডিয়া সরব হন। তিনি ভগৎ সিং ছবি দেওয়া একটি টি শার্ট পরে লেখেন জিন্দাবাদ।
পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট করা সেই ছবিতে তিনি লেখেন সেই মহিলাকে মনে করাতে চাই যিনি বলেছেন আমাদের স্বাধীনতা “ভিক্ষা”। আমার টি-শার্টে শহিদ সর্দার ভগৎ সিংহ-র ছবি রয়েছে। যিনি স্বাধীনতা সংগ্রামী, ভারত মায়ের সন্তান, কবি, দার্শনিক ও এক কৃষকের সন্তান ছিলেন। তিনি আমাদের স্বাধীনতার জন্য, দেশের স্বাধীনতার জন্য মাত্র ২৩ বছর বয়সে জীবন দিয়েছেন। হাসি মুখে, ঠোঁটে গান নিয়ে উঠেছেন ফাঁসিকাঠে।
পাশাপাশি তিনি আরো জানান সুখদেব, রাজগুরু, আশফাকুল্লাহ সহ হাজার হাজার স্বাধীনতা সংগ্রামীর প্রসঙ্গ টেনে লিখেছেন, ওঁকে(কঙ্গনা) ভদ্রভাবে, কিন্তু কড়াভাবে মনে করিয়ে দিতে চাই। যাতে আর কোনওদিন না ভোলেন।
কঙ্গনার এই বিতর্কিত মন্তব্য পরেই একাধিক ব্যক্তি টুইটারে নিজের মতামত জানান বরুণ গাঁধী ট্যুইট করেন, ‘কখনও মহাত্মা গাঁধীর ত্যাগ ও তপস্যার অপমান, কখনও তাঁর হত্যাকারীর প্রতি শ্রদ্ধা, আর এখন মঙ্গল পান্ডে থেকে শুরু করে রানি লক্ষ্মীবাই, ভগৎ সিংহ, চন্দ্রশেখর আজাদ, নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু ও লক্ষ লক্ষ স্বাধীনতা সংগ্রামীদের আত্মবলিদানকে চূড়ান্ত অবজ্ঞা। এই চিন্তাভাবনাকে পাগলামি, না দেশদ্রোহ বলা যায়?’
নবাব মালিক একটি সাংবাদিক বৈঠকে জানান কঙ্গনা রানাওয়াতের মন্তব্যের আমরা তীব্র নিন্দা করি। উনি স্বাধীনতা সংগ্রামীদের অপমান করেছেন। কঙ্গনার থেকে পদ্মশ্রী ফিরিয়ে নেওয়া উচিত কেন্দ্রের। ওঁকে গ্রেফতার করা উচিত। মনে হচ্ছে, এই ধরনের মন্তব্য করার আগে কঙ্গনা মালানা ক্রিমের ভারী ডোজ নিয়েছিলেন।”






