১১ বছর বয়সে ঘরছাড়া, কোন কারণে ছোটো বয়সেই বাবা-মায়ের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন হয় দিলজিতের

পাঞ্জাবি গান গেয়ে জনপ্রিয় হন দিলজিৎ দোসাঞ্জ (Diljit Dosanjh)। ২০০২ সালে ‘দিল’ এলবাম দিয়ে শুরু হয়েছিল দিলজিতের সফর। তারপরে অভিনয়ের জগতেও পা রাখেন এই পাঞ্জাবি গায়ক। ‘উড়তা পাঞ্জাব’ ছবি দিয়ে বলিউডে পা রাখেন দিলজিৎ। ফিলৌরি, সুরমার মতো ছবিতেও অভিনয় করতে দেখা যায় দিলজিতকে। তার অভিনয় দক্ষতার চেয়েও গানের তালে মজেছে গোটা ভারত। এমনকি এই গায়ক ডাক পান আম্বানির বিয়ের আসরেও। নিজের গানের তালে ভালোই আসর জমিয়ে ছিলেন পাঞ্জাবি গায়ক দিলজিৎ দোসাঞ্জ। বিট্রিশ পপ তারকা ইউ শিরিন মুম্বাইয়ের অনুষ্ঠিত এক শোতে দিলজিতের সঙ্গে ‘তেরা নি ম্যায় লভর’ গানটি গান। এমনকি গত বছর অচেনা মিউজিক ফেস্টিভ্যালেও পারফর্ম করতে যান তিনি। 

আজকের যুগের এই সফল তারকা মাত্র ১১ বছর বয়সে বাড়ি ছাড়েন। ছোট বয়সেই বাবা মায়ের সঙ্গে সম্পর্ক শেষ করেন তিনি। ১৯৮৪ সালে পাঞ্জাবে কালনা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন দিলজিত। এখন দিলজিতের বয়স ৪০ ছুঁইছুঁই। মাত্র ১১ বছর বয়সেই মা-বাবাকে ছেড়ে লুধিয়ানায় চলে আসেন গায়ক। তারপর থেকে তার কোনো খোঁজই নেননি তার মা বাবা। 

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তার ছোটবেলা নিয়ে কথা বলেছেন গায়ক দিলজিত। তিনি বলেছেন, “আমার তখন ১১ বছর বয়স। বাড়ি ছেড়ে আমার মামার বাড়ি চলে আসি। মা একবার শুধু বলেছিল ওকে নিয়ে যাচ্ছি আমার সঙ্গে। ব্যস, আমার মা-বাবও ছেড়ে দিল।” তারপর থেকেই পরিবার থেকে ছিন্ন হয়ে যান দিলজিৎ। যোগাযোগ ক্ষীণ হতে শুরু করে পরিবারের সঙ্গে। তবে দিলজিত কে কখনোই তার মা বাবার নামে খারাপ কথা বলতে শোনা যায়নি। মা-বাবার প্রতি সম্মান এখনো বজায় রেখেছেন দিলজিত। 

সাক্ষাৎকারে গায়ক জানান, তাঁর বাবা খুবই সহজ-সরল মানুষ। তবে তারা কখনো জিজ্ঞেস করেনি কোথায় আছেন তিনি আদেও প্রথাগত শিক্ষা তিনি নিচ্ছেন কিনা। তবে সময়ের সাথে সাথে সম্পর্ক আলগা হতে থাকে পরিবারের সঙ্গে। এখন একাই থাকেন জনপ্রিয় পাঞ্জাবি গায়ক তথা অভিনেতা। 

সম্প্রতি, প্রযোজক বনি কপূর নিশ্চিত করেছেন যে ‘নো এন্ট্রি’ ছবির সিক্যুয়েল তৈরি হবে। এই ছবিতে অভিনয়ে করতে দেখা যাবে বরুণ ধবন, অর্জুন কপূর ও দিলজিৎ দোসাঞ্জ। ‘নো এন্ট্রি’ ছবির সিক্যুয়েলের কাস্টিংয়ের নাম প্রকাশ্যে আসতেই অনুরাগীদের মধ্যে উত্তেজনা চরমে উঠেছে। বনি কপূর সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘যা যা নাম শোনা যাচ্ছে সবটাই সত্যি। ওঁরাই এই ছবিতে অভিনয় করছেন। আশা করা যায় যে সবটা ভাল মতো হবে এবং ‘নো এন্ট্রি ১’-এর মতোই এটাও আকর্ষণীয় ও মজাদার হবে। চিত্রনাট্য দুর্দান্ত। আমি শুধু এটুকুই বলতে পারে যে প্রথমটার থেকেও বেশি মজাদার এই স্ক্রিপ্ট।’ 

আরও অন্যান্য খবর