করোনার জেরে এখন দেশ জুড়ে তৃতীয় দফার লকডাউন চলছে। লকডাউনের জেরে মানুষের জীবনযাত্রাও বর্তমানে বিঘ্নিত হয়েছে।করোনার কালো ছায়া থেকে মুক্তি পাইনি বলিউডও।বর্তমানে দেশে ৯,৫০০ টি সিনেমা হল, মাল্টিপ্লেক্স বন্ধ রয়েছে ফলে বড় পর্দায় কোনও ছবিই মুক্তি পাচ্ছে না। এই বিপর্যয়ের পরিস্থিতিতে ৭টি ছবির নির্মাতারা ঠিক করেছেন, তাঁরা তাঁদের ছবি এবার বড়ো পর্দা ছেড়ে সরাসরি কোনও ওভার দ্য টপ বা ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি করাবেন। এই ছবিগুলির মধ্যে অমিতাভ বচ্চন ও বিদ্যা বালানের মত বড় বড় তারকাদের ছবিও রয়েছে।
এ দেশে এখন মানুষের বিনোদনের মাধ্যম হলো ওটিটি প্ল্যাটফর্ম। আমাদের দেশে ওটিটি প্ল্যাটফর্মের মধ্যে অন্যতমগুলি হল অ্যামাজন প্রাইম ভিডিও, নেটফ্লিক্স, হটস্টার, জি৫, ভুট, সনি লিভ, হইচই ইত্যাদি। লকডাউনের কারণে আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন প্রযোজকরা। অন্যদিকে প্রযোজনা সংস্থার এরূপ সিদ্ধান্তের ফলে লোকসানের মুখোমুখি দুটি মাল্টিপ্লেক্স চেন অপারেটরের ব্যবসা। এই মুহূর্তে আইনক্স-এর শেয়ার মূল্য ৪.৪০ শতাংশ কমে হয়েছে ১৯২.৩০ টাকা, পিভিআর কমেছে ৪.৮৫ শতাংশ, হয়েছে ৮৪৫ টাকা।
৯,৫০০-র মত প্রেক্ষাগৃহ গত ২৫ মার্চ থেকে টানা বন্ধ রয়েছে। সোশ্যাল ডিস্টানসিং মেনে চলার কারণে এবং জমায়েত এড়িয়ে কবে আবার সমস্ত প্রেক্ষাগৃহ খুলবে তার নিশ্চয়তা নেই। তার জন্য বিরাট লোকসানের মুখে পড়েছে বলিউড। আইনক্স গতকাল এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, যেভাবে একটি প্রযোজনা সংস্থা সিনেমা হলের বদলে সরাসরি তাদের ছবি ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি করছেন তাতে তারা অত্যন্ত অসন্তুষ্ট এবং হতাশ। ওই প্রযোজনা সংস্থার সিদ্ধান্ত খুবই উদ্বেগজনক এবং আতঙ্কের। সুসময়ের বন্ধুর এমন সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে যে কোনোরকম ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকারও তাদের রয়েছে।
বলিউডি ছবির বড় অংশই বক্স অফিস থেকে পাওয়া লাভের ওপরই নির্ভরশীল। তারই মধ্যে সিনেমা হল বাদ দিয়ে এই ওটিটি প্ল্যাটফর্মে ছবি মুক্তি দেওয়ার এই সিদ্ধান্ত তাদের অন্য পথে হাঁটার ইঙ্গিত বহন করছে।





