তিন রাত্রিও কাটেনি সৌমিত্র কন্যা পৌলোমী বসু পিতৃহারা হয়েছেন! কিন্তু তাঁকে নিয়ে একশ্রেণীর মিডিয়া নিম্নরুচির পরিচয় দিয়ে নাগাড়ে একের পর এক ভুয়ো খবর করে চলেছে। দীর্ঘ ৪০ দিন হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই শেষ। সম্প্রতি জীবন যুদ্ধে হার মেনেছেন বর্ষীয়ান অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় (Soumitra Chattopadhyay)। এই বর্ষীয়ান অভিনেতা হাসপাতালে ভর্তি থাকা কালীন অবস্থাতেও বারবার তাঁর মৃত্যু নিয়ে গুঞ্জন উঠেছে। তখনও মুখ খুলেছেন সৌমিত্র কন্যা। বলেছেন বাবা লড়াই করছেন, এখনও থেমে যাননি। তবে এবার অসংবেদনশীলতার মাত্রা যেনো সবকিছুকে ছাপিয়ে গেল।
১৫ নভেম্বর বেলা সাড়ে ১২টা নাগাদ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন বাঙালির সর্বকালের প্রিয় ফেলুদা। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে রাজ্য সহ দেশের সাংস্কৃতিক মহলে। আর এই প্রবীণ অভিনেতার মৃত্যুর পরেই কাটাছেঁড়া শুরু হয়েছে তাঁর পরিবার নিয়ে। কখনও সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি কখনও ছেলে বা মেয়ে। সহজলভ্য নেট ব্যবহারকারীদের হাতে আক্রান্ত প্রত্যেকেই। তবে এবার কড়া পদক্ষেপ নিয়েছেন পৌলমী।সংবাদ মাধ্যমের দায়িত্বজ্ঞানহীনতা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগড়ে দিলেন পৌলমী বসু (Poulami Bose)। কী বললেন কিংবদন্তি অভিনেতার মেয়ে?
ঘটনার সূত্রপাত নির্দিষ্ট একটি সংবাদ মাধ্যমের রটনা থেকে। যেখানে লেখা হয়, তৃণমূল কংগ্ৰেসের হয়ে যাদবপুর কেন্দ্রে প্রার্থী হতে পারেন সৌমিত্র কন্যা। পিতৃশোক কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই এরকম একটা খবরে সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখে সরব হয়েছেন পৌলমী। তিনি লিখেছেন, “এটা কি ধরনের অসভ্যতা? কোনও দায়িত্বজ্ঞান নেই? এই ধরনের রাবিস কী করে লিখতে পারেন? দু’দিন হল আমার বাবা চলে গেছেন। একটু শোক পালন করতে দিন…দয়া করে আমায় শোক পালন করতে দিন।”
তবে এই প্রথমবার নয়। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় হাসপাতালে থাকাকালীন সংবাদ মাধ্য়মের একাংশের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন পৌলমী। তাঁর অভিযোগ, তাঁর ও তাঁর পরিবারের বিষয়ে ভুল তথ্য রটানো হচ্ছে। যা কখনোই উচিত নয়। ফেসবুকের কিছু স্ক্রিনশট শেয়ার করে পৌলমী লিখেছিলেন, “আমি বিচলিত নই, কিন্তু ভুলভাল খবরের একটা লিমিট থাকে। বিশেষত যখন আমার বাবা ভয়ংকর লড়াই করছেন, তখন কিছু মানুষ কোনও ফ্যাক্ট না জেনে রটনায় ব্যস্ত। দেখুন আপনারা, লিংকও দিলাম।”





