তার রূপের বাহার বরাবরই দর্শকদের মুগ্ধ করে এসেছে। তাঁর রূপের জাদুতে যে কোনও সুন্দরীকে টেক্কা দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন এই অভিনেত্রী। তিনি আর কেউ নন, বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। নিজের অভিনয়ের দক্ষতায় শুধু বাংলাদেশ নয়, ভারতের মাটিতেও নিজের আধিপত্য বিস্তারে সক্ষম তিনি।
নিজের রূপে ঘায়েল করেছেন বহু পুরুষের মন। শুধু পুরুষ কেন, অনেক মহিলারাও তাঁর রূপ মোহে আছন্ন। তবে অনেক মহিলারা আবার তাকে দেখে হিংসেও করতে পারেন। নিজের বয়স ধরে রাখার দিক থেকে জয়ার জুড়ি মেলা ভার। তাকে দেখে তাঁর বয়স বোঝার উপায়ই থাকে না। এখনও তাঁর এই লাস্যময়ী রূপ যে কোনও নতুন কমবয়েসি অভিনেত্রীদের সহজেই টেক্কা দিতে পারবে।
তবে শুধু রূপই নয়, ফিটনেসের দিক থেকেও জয়া যথেষ্ট সচেতন। রুপচর্চা ও ফিটনেসের কারণে বারবার তিনি খবরের শিরোনামে উঠে এসেছেন। নিজের সোশ্যাল মিডিয়াতেও যথেষ্ট অ্যাক্টিভ তিনি। কখনও নিজের প্রিয় পোষ্যের সঙ্গে, কখনও পরিবারের সঙ্গে বা কখনও একান্তে, সব মুহূর্তেরই ছবি শেয়ার করেন অভিনেত্রী।
লকডাউনের পর করেছেন বিভিন্ন ধরণের ফটোশুট। তারই এক ঝলক সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করেন তিনি। লাল স্লিভলেস ব্লাউজ ও সাদা কালো বক্সের হ্যান্ডলুম শাড়িতে পোজ দিয়েছেন তিনি। সঙ্গে লাল লিপস্টিক, ফুলের গয়না ও সিলভার চুড়িতে নিজের মোহময়ী করে তুলেছেন জয়া। ক্যাপশন দিয়েছেন, “রঙ এমন একটি শক্তি যা প্রত্যক্ষভাবে আত্মাকে প্রভাবিত করে”। এই ছবি শেয়ার করতেই তা নেটদুনিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। অভিনেত্রীর রূপে মুগ্ধ হন তাঁর ভক্তকুল।
‘ব্যাচেলার’ ছবি দিয়ে নিজের অভিনয় জীবন শুরু করেন জয়া। এরপর ‘গেরিলা’ ছবিতে অভিনয়ের জন্য জাতীয় পুরস্কার পান। পরিচালক অরিন্দম শীলের ছবি ‘আবর্ত’ দিয়ে তাঁর টলিপাড়ার যাত্রা শুরু। এরপর একে একে সৃজিত মুখার্জী, কৌশিক গাঙ্গুলির মতো সুপারহিট পরিচালকের সঙ্গে কাজ করতে দেখা গেছে তাকে। তাঁর পরবর্তী ছবি অতনু ঘোষের ‘বিনি সুতোয়’ মুক্তির অপেক্ষায়।





