মাস্ক ছাড়াই মুম্বইয়ে নিজের ভাঙা অফিসের বাইরে কঙ্গনা, পাপারাৎজির মুখোমুখি হতেই বিরক্তি প্রকাশ

এই কিছুদিন হল তিনি করোনা থেকে সেরে উঠেছেন। এরপরই টু নি চলে যান উত্তরাখণ্ডে নিজের পরিবারের সঙ্গে কিছুটা সময় কাটাতে। মানালি থেকে চলতি সপ্তাহেই মুম্বইয়ে ফিরে নিজে অফিস পরিদর্শনে যান কঙ্গনা রানওয়াত। এই অফিসের একাংশই গত বছর বিএমসি ভেঙে দেয়।

এদিন অফিসের বাইরেই দেখা মিলল কঙ্গনার। পাপারাৎজির ক্যামেরাবন্দি হন তিনি। প্রথমে বিরক্তি প্রকাশ করলেও পরের দিকে অবশ্য অফিসের বারান্দা থেকে পাপারাৎজির ছবির জন্য পোজও দেন তিনি। বলেন, “আপনারা আমাকেও তো আমার কাজ করতে দিন”।

আরও পড়ুন- ‘পরিবারের মধ্যে তো ঝামেলা হয়েই থাকে’, নতুন করে কোন ঝামেলায় জড়িয়ে পড়লেন রাজ ও দেব?

গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে পালি হিলে কঙ্গনার মণিকর্ণিকা ফিল্মসের দফতরে একটি নোটিশ ঝুলিয়ে দেয় বিএমসি। অভিযোগ, বেআইনিভাবে নির্মিত হয়েছে সেই অফিস। এর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কঙ্গনার কোনও জবাব না মেলায় বুলডোজার দিয়ে অফিস ভাঙার কাজ শুরু করে বিএমসি। এরপর থেকেই শুরু হয় কঙ্গনা-বিএমসি সংঘাত।

এরপর আদালতের তরফে বিএমসিকে নির্দেশ দেওয়া কঙ্গনার অফিস না ভাঙার। যে পদ্ধতিতে তাঁর অফিস ভাঙা হচ্ছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে হাইকোর্ট। তাছাড়া, রাতারাতি এই বিষয় নিয়ে পুরকর্তাদের এমন সক্রিয়তা দেখে বিস্ময় প্রকাশও করে হাইকোর্ট।

এরপর কঙ্গনা জানান যে তিনি তাঁর অফিস সারাবেন না। সেটা থাকবে, নারীর উত্থানের প্রতীক হিসেবে। তিনি টুইটারে এও বলেন, “গত ১৫ জানুয়ারি আমি শেষ অফিসে গিয়েছি। কারণ তারপরেই করোনা এসে পড়ে। তারপর থেকে আর সবার মতো আমার হাতেও কোনও কাজ নেই। তাই অফিস সারিয়ে তোলার পয়সাও আমার নেই। আমি এই ভাঙা অফিস থেকেই কাজ করব যা প্রতীক হিসেবে কাজ করবে নারীরা গোটা পৃথিবীর বিপক্ষে গিয়েও মাথা তোলার সাহস দেখাতে পারে”।

আরও পড়ুন- ‘অনেক কিছু বলার থাকলেও চুপ করে রয়েছি’, কোন কথা বলতে চেয়েও বলতে পারছেন না নুসরত?

গত মার্চে কঙ্গনা জানিয়েছিলেন যে কোনও আর্কিটেক্ট বিএমসির ভয়ে তাঁর সঙ্গে কাজ করতে রাজী হচ্ছেন না। কঙ্গনার দাবী, উদ্ধব ঠাকরের সরকারের পক্ষ থেকে নাকি সকলকে ভয় দেখানো হয়েছে যে কেউ যদি কঙ্গনার অফিসের কাজ করে, তাহলে তাঁর লাইসেন্স বাতিল করা হবে। এই কারণেই ভেঙে দেওয়ার ছ’মাস পরও সেই একইভাবেই পড়ে রয়েছে কঙ্গনার ভাঙা অফিস।

আরও অন্যান্য খবর