মুম্বইয়ে এক মারধরের ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়েছেন ইউসুফ পাঠানের শ্বশুর ও শ্যালক-সহ তিন আত্মীয়। ঘটনাটি প্রথমে সাধারণ রাস্তার বিবাদ বলে মনে হলেও, পরে তা গুরুতর আকার নেয় এবং শেষ পর্যন্ত পুলিশের হস্তক্ষেপে গ্রেপ্তারির পথে গড়ায়। স্থানীয়দের মধ্যেও এই ঘটনাকে ঘিরে যথেষ্ট চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
ঘটনাটি ঘটে মুম্বইয়ের বাইকুল্লা এলাকায়। শনিবার রাতে ইউসুফ খান নামে এক ব্যক্তি বাড়ি ফেরার সময় তাঁর গাড়ি রাস্তার জলে ভরা গর্তে পড়ে যায়। সেই জল ছিটকে পাশ দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা শোয়েব খানের গায়ে লাগে। শোয়েব খান, যিনি ইউসুফ পাঠানের আত্মীয় বলে জানা গেছে, বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ হন। যদিও ইউসুফ খান দাবি করেছেন, তিনি সঙ্গে সঙ্গেই গাড়ি থামিয়ে ক্ষমা চেয়েছিলেন, তবুও পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
প্রাথমিক বচসা খুব অল্প সময়ের মধ্যেই হাতাহাতিতে পরিণত হয় বলে অভিযোগ। ইউসুফ খানের বক্তব্য, শোয়েব খান তাঁকে মারধর করেন এবং তাঁর গাড়ির উইন্ডশিল্ড ভেঙে দেন। এই ঘটনার পর ইউসুফ খান ও তাঁর পরিবার থানায় অভিযোগ জানাতে রওনা হন। কিন্তু সেখানেই ঘটনার দ্বিতীয় দফা মোড় নেয়।
অভিযোগ, থানায় যাওয়ার পথে তাঁদের সঙ্গে দেখা হয় খালিদ খানের, যিনি ইউসুফ পাঠানের শ্বশুর। সেই সময় খালিদ খান, শোয়েব খান এবং শেহবাজ পাঠান মিলে ফের ইউসুফ খান ও তাঁর পরিবারের উপর হামলা চালান বলে অভিযোগ। এই সংঘর্ষে ইউসুফ খানের ভাইয়ের হাত ভেঙে যায় এবং আরও এক আত্মীয় গুরুতরভাবে আহত হন বলে জানা গেছে।
আরও পড়ুনঃ দ্বিতীয় সন্তানের সুখবর দিলেন পূজা বন্দ্যোপাধ্যায়! ইউটিউব ভ্লগে জানালেন, আবারও মা হতে চলেছেন অভিনেত্রী! কী প্রতিক্রিয়া দিলেন স্বামী কুণাল ভার্মা?
পুলিশ জানিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজ এবং অভিযোগের ভিত্তিতে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের কাছ থেকে বাঁশের লাঠি ও বেসবল ব্যাট উদ্ধার হয়েছে, যা হামলায় ব্যবহার করা হয়েছিল বলে দাবি। অভিযুক্তদের আদালতে তোলা হলে বিচারবিভাগীয় হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে, এবং পুলিশ আরও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছে।





