সুস্মিতা সেনের প্রেমে মজেছেন ললিত মোদী। অন্যদিকে, সুস্মিতাও যে তাঁর প্রেমে হাবুডুবু, তা বেশ স্পষ্ট। মালদ্বীপের নানান মুহূর্তের ছবি শেয়ার করে সুস্মিতার সঙ্গে প্রেমের কথা সকলকে জানালেন ললিত মোদী। টুইটারে নানান প্রেম মাখানো ছবি পোস্ট করে সুস্মিতাকে ভালোবাসা উজাড় করে দেন তিনি।
প্রথমে গুঞ্জন রটেছিল যে সুস্মিতা ও ললিত গোপনে বিয়ে সেরে ফেলেছেন। তবে সেই রটনাতে জল ঢেলে ললিত টুইট করে জানান, “সবে মাত্র লন্ডনে এসে পৌঁছলাম। সদ্য শেষ করেছি মালদ্বীপ এবং সারদিনিয়া ট্যুর। সঙ্গে আমার পরিবার এবং আমার বেটার হাফ সুস্মিতা সেন। নতুন জীবনের শুরু। ভালবাসা মানেই বিয়ে নয়। ভগবানের কৃপায় হয়তো সেটাও হবে। আমি শুধু সবাইকে জানাতে চাই, আমরা একসঙ্গে রয়েছি”।
অন্যদিকে, গত বুধবার রাতে ইনস্টাগ্রামে সুস্মিতা সেন যে ছবি পোস্ট করেছিলেন, তার সঙ্গে ললিতের পোস্টকে মেলাতে শুরু করেছেন অনেকেই। ওই পোস্টে সুস্মিতা লেখেন, “কখনও কখনও যখন অন্ধকারে থাকো, তখন ভাবতে শুরু করো, যে কবরে শুয়ে রয়েছো। কী হয়, যদি সেখান থেকেই গাছ হয়ে বার হওয়া যায়”। সুস্মিতার এই পোস্ট কী তবে ললিতের গতকালের স্পষ্ট বার্তার ইঙ্গিত ছিল?
View this post on Instagram
বলে রাখি, সম্পর্ক নিয়ে বরাবরই স্পষ্টভাবে কথা বলতে পছন্দ করেন সুস্মিতা সেন। এই নিয়ে কখনই কোনও লুকোছাপা করেন নি তিনি। সম্পর্কে থাকলেও, তা প্রকাশ্যে বলেছেন। সম্পর্কের ভাঙনের পরও সবার সামনে তা তুলে ধরেছেন। তবে এবা৪রে এখনও মুখ খোলেননি বিশ্বসুন্দরী।
উল্লেখ্য, আইপিএল ২০০৮ সালে শুরু হয়। সেই প্রতিযোগিতার স্রষ্টা ছিলেন ললিত মোদী। টি-২০ ক্রিকেট যে আগামী দিনে ভারতে জনপ্রিয় হতে চলেছে, তা আগেই বুঝতে পেরেছিলেন তিনি। অন্তত সংশ্লিষ্ট মহলের অনেকেই এমনই মত। পরে সেই আইপিএল নিয়েই টাকা তছরুপের অভিযোগ ওঠে ললিতের বিরুদ্ধে। তদন্তের মাঝেই ২০১০ সালে দেশ ছাড়েন তিনি। সেই থেকেই লন্ডনে বাস।
ললিতের সঙ্গে সম্পর্কের কথা স্বীকার না করলেও সুস্মিতার ইনস্টাগ্রামে মালদ্বীপের বেশ কিছু ছবি দেখা গিয়েছে। তাঁর অনামিকাকে একটি আংটিও লক্ষ্য করা গিয়েছে। তাই অনেকেরই ধারণা বাগদান পর্ব সেরে ফেলেছেন সুস্মিতা ও ললিত। বলে রাখি, গত বছরের শেষের দিকেই কাশ্মীরি মডেল রোহমনের সঙ্গে সম্পর্কে ইতি টানেন সুস্মিতা। সর্বসমক্ষে তিনি বলেন যে তিনি ও রোহমন বন্ধু থাকবেন। সেই সম্পর্ক শেষের নেপথ্যে ললিতের সঙ্গে সুস্মিতার ঘনিষ্ঠতা ছিল কী না, তা নিয়েও আলোচনা করছেন অনেকেই।





