দলনেত্রী তাঁকে ‘কালারফুল বয়’ আখ্যা দিয়েই দিয়েছেন। তিনি বাংলার ক্রাশ। নানান মেয়েদের স্বপ্নের পুরুষও বলা যেতে পারে। মহিলা মহলে তিনি বেশ বিখ্যাত। সুন্দরী মহিলাদের ‘ওহ লাভলি’ বলেই থাকেন তিনি। হ্যাঁ, কথা হচ্ছে কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রকে নিয়েই।
সম্প্রতি, স্ত্রী অর্চনা মিত্রকে নিয়ে ‘দিদি নম্বর ওয়ান’-এ হাজির হয়েছিলেন মদন মিত্র। তাঁর সঙ্গে মানুষ পরিচিত হলেও, তাঁর স্ত্রী অর্চনা মিত্রকে অনেকেই চেনেন না। রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই শো-তেই মদন মিত্র তাঁর স্ত্রীয়ের সঙ্গে তাঁর প্রেমের কথা শেয়ার করেন।
বিধায়ক জানান যে ৩০ বছর আগে বিয়ে হয়েছে তাদের। বিয়ের আগে তিনি অর্চনাকে ইংরেজি পড়াতেন। আর সেই পড়াতে পড়াতেই বউকে পটিয়ে নেন তিনি। ছাত্রীকে একেবারে সোজা পাত্রী বানিয়ে ফেলেন ‘কালারফুল বয়’।
মদন-পত্নী জানান, তাঁর বরের নাকি একটুতেই রাগ হয়ে যায়। তবে রাগ কমে গেলে আবার গান গেয়ে বউকে কাছেও টেনে নেন। বিয়ের পর তারা হানিমুনে গিয়েছিলেন দার্জিলিংয়ে। তারপর একসঙ্গে অনেক জায়গায় ঘুরেছেন।
মদন মিত্র ও তাঁর স্ত্রী অর্চনা মিত্রের কেমিস্ট্রি কিন্তু চোখে পড়ার মতো। রাজনৈতিক ময়দানে লড়াকু মদন মিত্রের এই প্রেমিক সত্ত্বার দিকটি দেখে বেশ উচ্ছ্বসিত দর্শকও। এদিনের ‘দিদি নম্বর ১’-এর এপিসোডে উপস্থিত ছিলেন সস্ত্রীক মদন মিত্র ছাড়াও সস্ত্রীক বাবুল সুপ্রিয়, রাঘব চট্টোপাধ্যায় ও শিবাজি চট্টোপাধ্যায়।
এদিন মদনের স্ত্রী-কে রচনা প্রশ্ন করেন, তাঁর স্বামীর যে এত মহিলা ভক্ত তা নিয়ে তাঁর কখনও সন্দেহ হয় না? এর উত্তরে অর্চনা জবাব দেন, “ঘুড়ি যতই উড়ুক, লাটাই তো আমার হাতে”! একথা শুনে হেসে ফেলেন খোদ মদনও। বলেই দেন, “ওহ লাভলি”!





