রবিবার টেলিভিশনের পর্দায় সম্প্রচারিত হল জি বাংলা (Zee Bangla) সোনার সংসার অ্যাওয়ার্ড। এই বছর জি বাংলা পরিবারের সেরা বউমা নির্বাচিত হয়েছেন শিমুলের চরিত্রে অভিনেত্রী মানালি দে। কার কাছে কই মনের কথা ধারাবাহিকে সকলেই মানালিকে বেশ পছন্দ করেন, তার প্রমাণ মিলল অ্যাওয়ার্ডে। এবারে সোনার সংসারের (Zee Bangla) আসরে একাই হাজির হন মানালি, পাশে ছিলেন না তাঁর পরিচালক বর। কাজের ব্যস্ততার হাজির হননি অভিমন্যু।
প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ১৫ই অগস্ট পরিচালক অভিমন্যু মুখোপাধ্যায়কে বিয়ে করেন মানালি। সঙ্গীত শিল্পী সপ্তকের সঙ্গে ২০১২ সালে সাতপাকে বাঁধা পড়েছিলেন মানালি দে। ২০১৬-তে তাঁদের আইনি বিচ্ছেদ হয়। বিয়ে করেন অভিমন্যুকে। অভিমন্যুর দ্বিতীয় বিয়ে এটি, এর আগে অভিনেত্রী অনিন্দিতা বসুকে বিয়ে করেছিলেন অভিমন্যু।
বাংলা সোনার সংসার অ্যাওয়ার্ডে আবির চট্টোপাধ্যায় ও শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায় পুরস্কার তুলে দেন মানালির হাতে। বউয়ের সাফল্যে গর্বে বুক ফুলল অভিমন্যু মুখোপাধ্যায়ের। মানালির পোস্ট নিজের ফেসবুকে শেয়ার করে “অভি-নন্দন” জানান অভিমন্যু। তাতে চুমুর ইমোজি দিয়েছেন মানালি। স্ত্রীর প্রশংসা করেও সুনাম মিললো না জুটেছে কটাক্ষ।
প্রকাশ্যে বউয়ের গুণগান করে অভিমন্যু ‘স্বামীত্ব জাহির’ করছেন বলে দাবি এক নেটিজেনের। এ প্রসঙ্গে নেটিজেন লেখেন, “কোনওদিন দেখেছ নেনে জামাইবাবু মাধুরীদির (মাধুরী দীক্ষিত) সাফল্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিনন্দন জানাচ্ছে? বউ এর সাফল্যে স্বামী তাকে জড়িয়ে ধরে অশ্রুসিক্ত চোখে কপালে চুমু খেয়ে আনন্দ প্রকাশ করবে। এখানে কেন? এখানে বাকি পুরুষরা অভিনন্দন জানাবে। যারা তোমার নায়িকা বউ এর বর হতে চেয়েছিল। বা মনে মনে মাঝে মধ্যে বর হয়ে যায়। এখানেও স্বামীত্ব জাহির করবে না একদম। দূর হও”। এই ট্রোলের জবাব দিতে ভোলেননি অভিমন্যু। তিনি স্পষ্ট জানান, “ও নেনে, আর আমাকে কেই বা চেনে!”
প্রিয় বউমার সম্মান পেয়ে ফেসবুকে লম্বা পোস্ট লেখেন মানালি। তিনি জানান, “যাদের জন্য শিমুল হোয়ে উঠতে পেরেছি অর্ক গঙ্গোপাধ্যায় এবং দেবলীনা মুখোপাধ্যায়। তোমরা ছাড়া কিছুই হত না। লীনা গঙ্গোপাধ্যায় দিদি, শিমুল তোমার তৈরি,তোমার জন্য সব।….ধন্যবাদ আমার গোটা ‘কার কাছে কই মনের কথা’ টিমকে। ডিরেক্টর পার্থ দে, ডিওপি, সব টেকনিশিয়নদের ধন্যবাদ। তার সাথে আমার সব কলিগ আর বন্ধুদের একরাশ ভালোবাসা।সর্বোপরি ধন্যবাদ দর্শকদের। আপনারা আছেন বলেই আমরা আছি।”






