জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক হল মিঠিঝোরা (Mithijhora)। এই ধারাবাহিকে দেখা যায়, রাই হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরে গিয়েছে, অনির্বাণ বারবার ক্ষমা চাওয়ার পরেও অনির্বাণের মুখের ওপর জবাব দিয়ে সোহিনীর অনুরোধ উপেক্ষা করে রাই নিজের বাড়ি চলে যায় সেখানে বউমনি আর স্রোত তার যত্ন ও খেয়াল রাখতে শুরু করে। অন্যদিকে অনির্বাণ মনমরা হয়ে পড়ে থাকে নিজের বাড়িতে যেটা দেখে সোহিনী রেগে গিয়ে তার বাবাকে বলতে থাকে রাইয়ের জন্য সবকিছু হয়েছে।
মিঠিঝোরা আজকের পর্ব ১৩ সেপ্টেম্বর/ MithiJhora Today Full Episode 13 September
পর্বের শুরুতে দেখা যায় স্রোত কলেজে যাওয়ার আগে রাইকে বলে নিজের খেয়াল রাখতে। রাই তখন সার্থক আর স্রোতের বিষয় নিয়ে একটু মজা করতে থাকে। অন্যদিকে দেখা যায় বউমনি গেট খুললে দেখতে পায় অনির্বাণ চলে এসেছে। বউমনি তখন অনির্বাণকে অনুরোধ করে, রাইয়ের শরীর তো এখন ভালো নেই, তুমি এখন এখান থেকে যাও। তখন সেখানে রাইয়ের দাদা বিক্রম চলে আসে। বিক্রম এসে বলে, অনুরোধ করার কী আছে? আমরা চাই না ও এই বাড়িতে আসুক। ওকে এখান থেকে চলে যেতে বলো।
অনির্বাণ তখন বলে, রাইয়ের সাথে আমাকে দেখা করতে হবে, রাইয়ের সাথে আমাকে কথা বলতে হবে। ও কেন আমার সাথে না গিয়ে এই বাড়িতে পড়ে থাকছে, ও এই বাড়িতে কেন থাকবে? স্রোত তখন এসে বলে কারণ এটা দিদিভাইয়ের নিজের বাড়ি আর তুমি তো দিদিভাইকে তাড়িয়ে দিয়েছিলে।অনির্বাণ তখন বলে, দেখো স্বামী স্ত্রীর মধ্যে অনেক রকম সমস্যা হয় কিন্তু সেগুলো মিটেও যায়। তুমি আমাকে রাইয়ের সাথে দেখা করতে দাও। কিন্তু স্রোত কিছুতেই রাজি হয় না।
তখন অনির্বাণ জোর করে ঘরে ঢুকে করে ঘরের দরজা লাগিয়ে দেয়। স্রোত বলে, আমি কিন্তু এইবার পুলিশে যাব। তুমি কিন্তু বাড়াবাড়ি করছ। অনির্বাণ বলে তুমি যা খুশি করতে পারো , এছাড়া আমার আর উপায় নেই। রাইয়ের সাথে আমাকে কথা বলতেই হবে। এরপর অনির্বাণ রাইকে নিজের করা অপরাধের জন্য ক্ষমা চায় আর রাইকে নিজের সাথে বাড়ি ফিরে যেতে বলে কিন্তু রাই তাকে পুরোনো কথা মনে করিয়ে দেয়। রাই বলে রিপোর্টটা আসার আগে থেকেই সে কি রকম খারাপ ব্যবহার করেছে রাইয়ের সাথে।
অনির্বাণের তখন পুরোনো সব কথা মনে পড়ে যায়। অনির্বাণ ক্ষমা চায়, কিন্তু রাই তাকে ক্ষমা করে না। রাই বলে তুমি আগে নিজের চিকিৎসা করাও তারপর আমার কথা ভেবো। অনির্বাণ তখন ঘর থেকে বেরিয়ে আসে। স্রোত ঘরে ঢুকে রাইয়ের সাথে কথা বলে। বিক্রম রাইকে বলে, তুই কখনই এই ছেলেটাকে আর ক্ষমা করিস না। একে বিশ্বাস করা যায় না। স্রোতও বলে, অনিদা নিজেই একটা রোগী তার চিকিৎসার দরকার। অন্যদিকে নীলু রাইকে ফোন করে খোঁজ নিলে স্রোত ভাবতে তাকে নিশ্চয়ই কিছু স্বার্থসিদ্ধির জন্যই ফোন করেছিল।
ওদিকে অনির্বাণ খুব কষ্ট পায়, রাই তাকে এইভাবে অপমান করে তাড়িয়ে দিয়েছে বলে। মদ খেয়ে শৌর্য্যকে ফোন করে নিজের মনের কষ্টের কথা বলে অনির্বাণ। কিন্তু শৌর্য্য অনির্বাণকে বলে রাই যা কিছু করেছে, ঠিকই তো করেছে, তুই নিজের কথা ভুলে যাচ্ছিস, তুই কী কী করেছিলিস? ও এখন সেই সব কথা ভুলতে পারছে না। তুই আগে নিজের চিকিৎসা করা অনিদা তারপর বরং রাইকে ফেরাতে যাস।





