MithiJhora Today Full Episode 17 September: জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক হল মিঠিঝোরা (Mithijhora)। এই ধারাবাহিকে দেখা যায়, অনির্বাণ বারবার রাইয়ের কাছে যায় আর বোঝাতে থাকে কিন্তু রাই তার কোন কথা শোনে না আর তাকে অপমান করে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়। রাই যে অনির্বাণের সাথে ফিরল না এই বিষয়টা একেবারেই হজম করতে পারে না অনির্বাণ। সে খুব অস্বাভাবিক আচরণ করতে থাকে।
মিঠিঝোরা আজকের পর্ব ১৭ সেপ্টেম্বর/ MithiJhora Today Full Episode 17 September
গল্পের শুরুতে দেখা যায়, অনির্বাণ শৌর্য্যকে ফোন করে উল্টোপাল্টা কথা বলতে থাকে। অনির্বাণ বলে, আমার মনটা একদম ভালো নেই, রাইয়ের জন্য আমার মনটা খারাপ হয়ে গেছে। আমি কিছুতেই শান্তি পাচ্ছিনা, কী করবো কিছুই বুঝতে পারছি না। তখন শৌর্য্য বলে, তুই এই ভাবে কথা বলছিস কেন? তুই কি মদ খেয়েছিস? দেখ তুই এই অবস্থায় কিন্তু একদম গাড়ি চালাবি না, তুই কোথায় আছিস? সেই জায়গার নাম আমাকে পাঠা, আমি যাচ্ছি। এরপর শৌর্য্য অনির কাছে এসে বোঝাতে থাকে যে, তুই কিন্তু আবারও তাড়াহুড়ো করে ফেলছিস। এরকমভাবে করতে থাকলে তুই নিজেও কষ্ট পাবি আর রাই ও কষ্ট পাবে।
শৌর্য্য বলে, অনি দা, তুই নিজেকে একটু সময় দিয়ে দেখ না। আসলে তুই যেগুলো করেছিস সেগুলো খুব অন্যায় করেছিস আর সেগুলো এত তাড়াতাড়ি ভুলে যাওয়া যায় না বল?তাই বলছি নিজেকে একটু সময় দে, নিজেকে বোঝা তাহলেই দেখবি সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু অনির্বাণ শৌর্য্যকে বলে, তুই ভাই একবার রাইয়ের সাথে কথা বল। ওকে বল আমাকে ক্ষমা করে দিতে। আমি যা কিছু করেছি ইচ্ছা করে করিনি, আমি খারাপ ব্যবহার করতে চায় নি কীভাবে যেন হয়ে গেছে। শৌর্য্য কিন্তু অনির্বাণকে বলে তুই একটু সময় নে।
অন্যদিকে রাইয়ের সঙ্গে দেখা করতে নীলু চলে এসেছে। নীলুকে দেখে নন্দিতা দেবী বলে রাই অসুস্থ, তুমি কেন এখানে এসেছ? আমি চায় না, তুমি আবার নতুন করে গন্ডগোল পাকাও। তখন নীলু বলে আমি কিছু করবো না তুমি বেশি করে দুধ আর চিনি দিয়ে আমার জন্য চা করে আনো। এরপর নীলু রাইকে ঘুমন্ত অবস্থায় দেখে অতীতের কথা ভেবে কষ্ট পেতে থাকে আর ভাবে সে তার দিদির সাথে এমনটা করতে চায় নি। কিন্তু তার দিদি তার জীবনটা নষ্ট করে দিল। এরপর রাই ঘুম ভেঙ্গে নীলুকে দেখতে পায়।
রাই নীলুকে বলে, দেখ আমি ঠিক করেছি আমি তোর অন্য জায়গায় বিয়ে দেব কিন্তু তুই শৌর্য্যকে ডিভোর্সটা দিয়ে দে আর যে টাকার পরিমাণটা চেয়েছি সেটা একটু কমা। কারণ এতটা পরিমাণ টাকা কারোর পক্ষে দেওয়া সম্ভব নয়। অন্যদিকে অনির্বাণ অফিসে গেলে তাকে দেখে স্টাফরা জিজ্ঞেস করে, স্যার আপনি ঠিক আছেন তো? আপনাকে দেখে কিন্তু সেটা মনে হচ্ছে না। অনির্বাণ বলে, আমি ঠিক আছি। রাই নীলুকে বলে, শৌর্য্য যতটুকু দিতে পারবে, ততটুকুই নিয়ে নে। কিন্তু নীলু বলে, আমি একজনকে ভালোবেসে ফেলেছি। রাই উৎসাহ নিয়ে তার কথা জানতে চায়। কার প্রেমে পড়ল নীলু? জানতে হলে দেখতে থাকুন মিঠিঝোরা।





