সন্ধ্যে হলেই সিরিয়ালে মজেন বাঙালি। সারাদিনের ব্যস্ততার পর একটু হালকা হতে সিরিয়াল দেখতে মাতে জনতা। সিরিয়ালি বিনোদনের আসল রসদ। বিশেষ করে ষড়যন্ত্র, কুটকাচালি ছাড়া মজা, আনন্দে ঘেরা ধারাবাহিক বেশি পছন্দের দর্শকদের কাছে। তার হাতেনাতে প্রমাণ পাওয়া যায় প্রত্যেক সপ্তাহের টিআরপি চার্টে। সেরকমই দর্শকদের পছন্দের ধারাবাহিক স্টার জলসার ‘খড়কুটো’। যেখানে এখনও দুর্গাপূজার আমেজ কাটেনি।
মুখার্জি বাড়িতেই আয়োজন হয়েছে দুর্গাপুজোর। তবে এবার পুজোর জায়গায় লড়তে দেখা গেল পটকা আর পুটু পিসিকে। পটকার চরিত্রে যথাক্রমে দেখা যায় অম্বরিশ ভট্টাচার্যকে এবং পুটু পিসির চরিত্রে অভিনয় করেন সোহিনী ভট্টাচার্য। এই দুই চরিত্র ধারাবাহিকের জান। দুই তারকাই এই চরিত্রের দরুন আরও বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন দর্শকদের কাছে। বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপূজাকে নিয়ে এক আলাদাই আনন্দ থাকে সকলের মধ্যে। এবার ‘খড়কুটো’ সিরিয়াল সেই আনন্দকে আরও কাছে তুলে ধরল দর্শকদের।
ধারাবাহিকে এই পুজোর দায়িত্বে স্বাভাবিকভাবেই দেখা গিয়েছে হল্লা পার্টির সদস্যদের। কিন্তু এবার পূজামণ্ডপে হল্লা পার্টির দুজন সদস্যকে দেখা গিয়েছে লড়তে। আদতে সবাই মিলে এদিন “কাঞ্চি রে কাঞ্চি” গানে নাচার সিদ্ধান্ত নেয়। যেখানে পটকা আর পুটু পিসি দুজনে মিলে নাচবে। কিন্তু নাচার আগে প্র্যাকটিসের সময় প্রথমেই সকলের নাচ দেখে জ্যাঠাই জানিয়েছে, “নাচ হচ্ছে না বাঁদর আর বাঁদরী নাচছে!” অন্যদিকে গুনগুনের বাবা হনুমান বলে বসেছে।
এদিকে নাচের প্র্যাকটিস শুরু হলে বেতাল হয়ে পুটু পিসির ঘাড়ে চড়ে বসে পটকা। যাতে হয়ে যায় মুশকিল। পটকাকে মোষ বলে বসে পুটু পিসি। লেগে যায় ঝামেলা। অন্যদিকে পটকাক মোষ বলায় রেগে যায় সে। পাল্টা পুটু পিসিকে হাতি বলে বসে। তারপর লেগে যায় হাতাহাতি। যা দেখে হেসে গড়াগড়ি খেতে শুরু করে দর্শকেরা।
এই মুহূর্তের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার হয়েছে একটি ফ্যান পেজ থেকে। আর ভাইরাল হয়েছে বেশ ব্যাপক। এরকম প্রায়ই নানা আনন্দ আর মজার প্রতিচ্ছবি ফুটে ওঠে খড়কুটো ধারাবাহিকে। যা দেখে বেশ মজা পান ভক্তরা।
View this post on Instagram





