বিশ্বাসঘাতক রাই! সংসারের দায়িত্বের জন্য শৌর্যকে বোনের সাথে বিয়ে, কিন্তু এখন নিজেই বিয়ে করছে বড়লোক অনির্বাণকে, কুমন্তব্য দর্শকদের

শুরুর থেকেই জি বাংলার মিঠিঝোরা (Mithijhora) ধারাবাহিকটি নিয়ে দর্শকদের উচ্ছাস চোখে পড়ার মতো। এই ধারাবাহিকের মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করছেন আরাত্রিকা মাইতি ও দেবাদৃতা বসু। দুজনেই টেলিভিশন পর্দায় বেশ জনপ্রিয় এবং তাদের অভিনয়ে তিন বোনের গল্পের জটিলতা ও আবেগ ফুটে উঠেছে। রাই, নীলু আর স্রোতের জীবনের নানা ওঠাপড়া নিয়ে এগোচ্ছে ধারাবাহিকের গল্প। রাইয়ের চরিত্রে (Rai) আরাত্রিকা মাইতি এবং নিলুর চরিত্রে দেবাদৃতা বসু অভিনয় করছেন।

সম্প্রতি, মিঠিঝোরা (Mithijhora)  ধারাবাহিকে দেখা যাচ্ছে রাই তার মনের কথা জানাচ্ছে অনির্বাণকে। রাইয়ের অনুমতি নিয়ে রাইয়ের (Rai) বাড়িতে বিয়ের কথা বলতে যায় অনির্বাণ। রাই তার পরিবারের প্রতি কর্তব্য, দায়িত্বের কথা অনির্বাণকে জানায়। অনির্বাণ রাইকে কাজের অনুমতি দেয়। অন্য অফিসে নয়, অনির্বাণের অফিসেই‌ রাই কাজ করতে পারবে সে কথা জানায়।

এদিকে অনির্বাণের সাথে রাইকে (Rai) দেখে রেগে যায় নীলু। অনির্বাণ রাইয়ের যৌথ সিদ্ধান্তে‌ যে ওদের বিয়ের পিঁড়িতে বসার কথা ভেবেছে তা স্পষ্ট করে অনির্বাণ। রাইয়ের মা নন্দিতা দেবী রাই-অনির্বাণের বিয়েতে সম্মতি সূচক আচরণ। ‌ তিনি ভীষণ অবাক হয়েছেন। অনির্বাণকে বাড়ির বড় জামাই হিসেবে তার ভীষণ পছন্দ হয়েছে তা বোঝাই যাচ্ছে। আনন্দে কেঁদে ফেলেন রাইয়ের মা। অনির্বাণ ভরসার হাত বাড়িয়ে দেয়। অনির্বাণ নিজেকে বাড়ির ছেলের স্থান দিতে বলে। তবে মায়ের এমন ব্যবহারে মোটেই সন্তুষ্ট নয় নিলু। মনে মনে রাগ বাড়তে থাকে‌। নিলু ভেবে নেয় যে কোনভাবেই অনির্বাণ রাইয়ের বিয়ে সে হতে দেবে না।

অনির্বাণ চলে গেলে রাইকে (Rai) কোনঠাসা করতে থাকে নীলু ও দাদা। নিলু রাইকে দোষারোপ করে সংসারের প্রতি দায়িত্ব জ্ঞান ভুলে কীভাবে অনির্বাণকে বিয়ের কথা ভাবছে। কেন শৌর্যকে বিয়ে করার সময় তখন পরিবারের প্রতি দায়িত্ব জ্ঞান বেড়ে গিয়েছিল। এখন বড়লোক অনির্বাণকে পেয়ে সব ভুলে বিয়ে করতে চাইছে এমনই মত ছিল নীলুর। এবার দর্শকরাও এমনটাই মনে করছেন। রাই বিশ্বাসঘাতকের কাজ করেছে। দর্শকদের কু মন্তব্য দিয়ে আসছে রাইয়ের দিকে।

তবে রাইয়ের (Rai) পক্ষে কথা বলে স্রোত ও বৌদি। অনেক চুপ থাকার পর মুখ খোলে রাই। ‌ জানিয়ে দেয় শৌর্যকে বিয়ের না করার সিদ্ধান্ত কেন নিয়েছিল সে। এসব কিছুর মাঝে মা-মেয়ের ভীষণ ভালো সম্পর্ক দেখা যাবে। যে রাইকে বারবার কথা শুনতে হত মায়ের কাছে, সেই মা রাইয়ের সাথে ভালো ব্যবহার করে। মায়ের দুশ্চিন্তা, রাইয়ের বিয়ের পর কে সংসারের দায়িত্ব নেবে। তবে কি রাই বড়ো মেয়ের দায়িত্ব পালন করবে নাকি বড়লোক বর পেয়ে সব ভুলে যাবে।

আরও অন্যান্য খবর