হৃতিক রোশনের সুপুরুষ চেহারা, তার ফিগার দেখে অনেকেই তাকে গ্রিক গড বলে ডাকেন। ছেলের থেকে কোনও অংশে পিছিয়ে নেই বাবা রাকেশ রোশনও। এবার সেটাই প্রমাণ হয়ে গেল। রাকেশ রোশনের (Rakesh Roshan) বয়স সত্তর পেরিয়েছে। সম্প্রতি রাকেশ রোশনের একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ্যে এসেছে। বাবা রাকেশ রোশনের ভিডিও দেখে ছেলে হৃতিক বলে উঠলেন অবিশ্বাস্য।
রাকেশ রোশন (Rakesh Roshan) তার সোশ্যাল মিডিয়ায় তার প্রতিদিনের ওয়ার্কআউট সেশন কেমন হয়, তার একটি ছোট্ট ঝলক শেয়ার করেছেন। ওয়ার্কআউট ভিডিও শেয়ার করেই থেমে থাকেননি তিনি। রাকেশ রোশন সেই ভিডিও শেয়ার করেছেন গর্বিতভাবে। জিম একদিনও মিস করেন না তিনি, সেই কথাই জানিয়েছেন।
জিমে ওয়ার্কআউটএর একটি ভিডিও শেয়ার করে রাকেশ (Rakesh Roshan) লিখেছেন, “আমি এটা শেয়ার করতে চাইছিলাম না, কিন্তু জিম একটা দিনও মিস করি না। আমার সংকল্প বরাবরই দৃঢ়।” বাবার ভিডিওটি ছেলে হৃতিক রিশেয়ার করেছেন। বাবার সেই ভিডিও শেয়ার করে হৃতিক লেখেন, ‘অবিশাস্য’। ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, কালো টি-শার্ট আর শর্টস পরে শরীরচর্চা করছে রাকেশ। জিমে নানা ধরনের এক্সারসাইজ করে চলেছেন পরপর। রাকেশ রোশন যেন তার শরীরচর্চায় কোনো রকম ফাঁকি না দেন, তাই নিরীক্ষণ করে চলেছেন তাঁর ট্রেনার। ক্লান্তি বা পরিশ্রমের ছাপ নেই না রাকেশের চোখেমুখে।
বহু তারকা রাকেশ রোশনের (Rakesh Roshan) এই পোস্টে কমেন্ট করেছেন। সকলেই রাকেশ রোশনের এপ্রকার ইচ্ছা, মনোবল দেখে উৎসাহিত। সুনীল লিখেছেন, ‘স্যারররররর’। সঙ্গে হার্ট, আগুন ও ইভিল আইয়ের ইমোজি। অনুপম খের লিখেছেন, ‘জয় হো স্যারজি’। হৃতিকের বোন সুনয়না রোশন মন্তব্য করেছেন, ‘বাবা তোমার থেকেই আমি শিখেছি কীভাবে অবিচল থাকতে হয়, নিয়মানুবর্তী থাকতে হয়। তোমার জন্যই সব কিছুতে আমার এত উইল পাওয়ার।’
জানা যায়, ২০১৯ সালে রাকেশ রোশনের (Rakesh Roshan) গলায় স্কোয়ামাস সেল কার্সিনোমা ধরা পড়ে। এমনকি সেই অপারেশনের দিন সকালেও তিনি জিমে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। জিম ছাড়া তার একটা দিনও চলে না, তা স্পষ্ট। এ প্রসঙ্গে হৃতিক রোশন একটি পোস্ট শেয়ার করে লিখেছিলেন, “আজ সকালে বাবার কাছে ওঁর একটা ছবি চেয়েছিলাম। জানতাম অপরাশেনের দিনও উনি জিম মিস করবেন না। আমার দেখা একজন শক্তিশালী মানুষ তিনি, কয়েকদিন আগে বাবার স্কোয়ামাস সেল কার্সিনোমা ধরা পড়ে। আজ সেটিকে হারানোর জন্য যুদ্ধে যাওয়ার দিনকেও, তাঁর মধ্যে ভরপুর প্রাণশক্তি। পরিবার হিসেবে তাঁর মতো একজন নেতাকে পেয়ে আমরা গর্বিত ও সৌভাগ্যবান। তোমায় ভালোবাসি বাবা।”






