প্রভূত বিপাকে পড়েছেন সুশান্ত সিং রাজপুত এর দিদিরা। এতদিন রিয়া চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে বিষোদগার করে আসলেও এবার জেল থেকে মুক্তি পেয়েই তাদের বিরুদ্ধে মামলা ঠুকে দিলেন রিয়া। আদালতে অভিযোগ জানালেন যে সুশান্তের দিদিরা তাকে এমন ওষুধ দিয়েছিলেন তা খাওয়ার পাঁচ দিনের মধ্যে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেন অভিনেতা!
আদালতে দাখিল করা হলফনামায় রিয়া বলেছেন, ‘দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নির্দিষ্ট ওষুধ খাচ্ছিল সুশান্ত। হঠাৎ করেই ওর দিদিরা একটি নতুন প্রেসক্রিপশন পাঠায় যেখানে তিনটি ওষুধের নাম ছিল। যে চিকিৎসকের উল্লেখ করা হয়েছে তিনি মনে হয় কোন মেডিকেল ডিগ্রীপ্রাপ্ত নন। সুশান্ত সিগারেটে গাঁজা ভরে খেত সেইসঙ্গে অন্য ওষুধও চলত। এর সঙ্গে অন্য কোনো ওষুধ যোগ করা ওর শরীরের পক্ষে ভয়াবহ হতে পারত। এজন্য আমি সুশান্তকে বারবার সতর্ক করেছিলাম।”
রিয়ার দাবি যে সুশান্ত তার কথা শোনেননি এবং দিদিদের পাঠানো ওষুধ খেতে শুরু করেন তাই রাগ করে গত ৮ই জুন রিয়া সুশান্তের ফ্ল্যাট ছেড়ে চলে যান।
সুশান্তের দিদিদের দিকে ছাড়াও রিয়া আঙুল তুলেছেন রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতালের চিকিৎসক তরুণ কুমারের দিকেও। তিনি কী করে সুশান্তকে না দেখে ওর দিদিদের কথায় প্রেসক্রিপশন বানিয়ে দেন তা রিয়ার বোধগম্য হচ্ছে না এবং সেই কথাই তিনি জানিয়েছেন আদালতে।আর এই প্রেসক্রিপশনের ওষুধ খাওয়ার ৫ দিন পরেই সুশান্ত আত্মহত্যা করেন বলে বিস্ফোরক দাবি করেছেন রিয়া।
মুম্বাই হাইকোর্টে এই মামলার পরবর্তী শুনানি ৪ নভেম্বর। এর মধ্যেই সুশান্তের দুই দিদি এই এফআইআর-এ স্থগিতাদেশ দেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন। এখন চৌঠা নভেম্বর জানা যাবে আদালত সুশান্তের দিদিদের ও ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ঠিক কী পদক্ষেপ নিতে চলেছে।





