সন্ধ্যে ৭.৩০টা বাজলেই এখন রিমোট হাতে টিভির সামনে বসে পড়েন মা-কাকিমারা। শুরুর থেকেই এর জনপ্রিয়তা বেশ ভালো। টিআরপির দৌড়েও সব ধারাবাহিককে টেক্কা দিয়ে শীর্ষে স্থান দখল করে নিয়েছে এই ধারাবাহিক। বেশ অল্প সময়ের মধ্যেই দর্শকের মন ছুঁয়ে গিয়েছে। হ্যাঁ, ঠিকই ধরেছেন কথা হচ্ছ ‘খড়কুটো’ ধারাবাহিক নিয়েই। বেশ নতুন ছন্দের এই ধারাবাহিকটির প্রধান আকর্ষণ হল একান্নবর্তী পরিবারের আনন্দ-হাসি-মজা ও গুনগুন ও সৌজন্যের মিষ্টি প্রেমের রসায়ন।
এই ধারাবাহিকে মুখ্য চরিত্র সৌজন্যের ভূমিকায় অভিনয় করছেন কৌশিক রায় ও গুনগুনের চরিত্রে দেখা যায় তৃনা সাহাকে। সৌজন্য ও গুনগুন একে অপরকে ভালোবেসে ফেললেও, দুজনেই সেটা এখনও বুঝে উঠতে পারেনি। বা বুঝে উঠলেও একে অপরকে ভালোবাসার কথা জানিয়ে উঠতে পারেনি। তাদেরই কাছাকাছি আনার জন্য নানান কাণ্ডকারখানা ঘটিয়ে চলেছে পটকা ও তাঁর দলবল। এই কাছাকাছি আনার চক্করেই ঘটেছে আনন্দের ছন্দপতন।
আগের সমস্ত এপিসোডে দেখা গিয়েছে, গুনগুনকে নিয়ে পটকা ও তাঁর দলবল গিয়েছে শান্তিনিকেতনে হানিমুনে। কিন্তু হানিমুনে বউ থাকলেও বর নেই। ইনস্টিটিউটের জরুরি কাজে যেতে পারে না সৌজন্য। তাই পটকা পরিকল্পনা করে গুনগুনের মিথ্যে জ্বরের কথা বলে যাতে সৌজন্য শান্তিনিকেতনে যায়। কিন্তু সেখানে গিয়ে সব সত্যি জানার পর জরুরি কাজ ছেড়ে আসতে হয়েছে বলে পটকাকে দু’চার ছোটোবড় কথা শুনিয়ে দেয় সে।
View this post on Instagram
এরপরই ধারাবাহিকে বিষাদের সুর। হাসিখুশি পটকা কেমন মনমরা হয়ে চুপ হয়ে যায় ও প্রতিজ্ঞা করে আর কারোর সঙ্গে কোনওদিন কোনও মজা করবে না সে। এমনকি, বদলি নিয়ে উত্তরবঙ্গে চলে যাওয়ার কথাও বলে সে। এদিকে, পটকার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করার জন্য পরিবারের প্রত্যেক সদস্য সৌজন্যকেই দোষী ঠাওরায়। সব দায় সৌজন্যের উপর চাপিয়ে তাঁকে দোষীর কাঠগড়ায় দাঁড় করায়।
View this post on Instagram
এরপরই সৌজন্য সিদ্ধান্ত নেয় যে সে বাড়ি থেকে চলে যাবে। আগামী পর্বের একটি ক্লিপে দেখা গিয়েছে যে পটকা আবার স্বাভাবিক হাসিখুশি মেজাজে ফিরে এলেও সৌজন্যকে ফোনে পাওয়া যাচ্ছে না। রাগ করে বাড়িছাড়া হয়েছে সে। আর এই নিয়েই বাড়ির সকলে বেশ চিন্তিত। তাহলে কী সৌজন্য আবার সব ভুলে বাড়িতে ফিরে আসবে, কাকা-ভাইপোর সম্পর্ক কী ফের জোড়া লাগবে, তা জানা যাবে আগামী এপিসোডেই।





